

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মারণাস্ত্র হিসেবে স্নাইপার রাইফেল ব্যবহারের প্রমাণ একাধিক তদন্তে পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, যাত্রাবাড়ীর একটি মামলার তদন্তে অস্ত্র বিতরণ নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে।
রোববার (০৫ জুলাই) দুপুরে ট্রাইব্যুনালে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংক্রান্ত একাধিক তদন্তে স্নাইপার রাইফেল ব্যবহারের তথ্য উঠে এসেছে। যাদের বিচারের মুখোমুখি করা হচ্ছে, প্রাথমিক তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে স্নাইপার রাইফেল ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
তিনি আরও বলেন, যাত্রাবাড়ীর একটি মামলার তদন্তে দেখা গেছে, পুলিশ অস্ত্র বিতরণের সময় কাগজে-কলমে বিভিন্ন কর্মকর্তার নামে অস্ত্র বরাদ্দ দেখানো হতো। তবে তদন্তে অভিযোগ উঠেছে, বাস্তবে সেসব অস্ত্র আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের হাতে দেওয়া হয়েছিল এবং তারা পুলিশের পাশাপাশি সেগুলো ব্যবহার করত।
এদিকে শাপলা চত্বরের ঘটনায় করা মামলায় জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুকেও আসামি করা হবে বলে জানান চিফ প্রসিকিউটর।
তার ভাষ্য, মামলার শুরু থেকেই ইনুর সংশ্লিষ্টতার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। ২০১৩ সালের ৫ মে-পরবর্তী সময়ে দুটি টেলিভিশন চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ এবং তাদের কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় তার নির্দেশনার অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহের কাজ চলছে এবং সময়মতো তাকে এ মামলার আসামি করা হবে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রসঙ্গে মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে 'সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি'র দায়ে তার সাজা হয়েছে। তিনি দেশে ফিরে চাইলে আইনি প্রক্রিয়ায় দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারেন। তবে তার বিরুদ্ধে আরও বেশ কয়েকটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে এবং কয়েকটি মামলার তদন্ত প্রতিবেদনও অপেক্ষমাণ।
তিনি আরও বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের আরও কয়েকটি মামলায় শেখ হাসিনাকে বিচারের মুখোমুখি করা হতে পারে।
