

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে বিদায় নিতে হলো পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে। এ দিন শুরু থেকেই দারুণ সব সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা পায়নি ব্রাজিল। উল্টো আরলিং হলান্ডের জোড়া গোলে ম্যাচ থেকে পুরে ছিটকে যায় দলটি। যদিও শেষ মুহূর্তে নেইমারের করা গোলে ব্যবধান কমায় সেলেসাওরা।
এদিকে ম্যাচের ১০ম মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করার দুর্দান্ত এক সুযোগ এসেছিল ব্রাজিলের কাছে। তবে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি ব্রুনো গিমারাইস, যার শট রুখে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক।
পেনাল্টির আগে প্রথমে স্পটের দিকে বল নিয়ে এগিয়ে যান ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ভিএআর পর্যালোচনার পর পেনাল্টি নিশ্চিত হওয়ার পরও শেষ মুহূর্তে তিনি বলটি ব্রুনো গিমারাইসের হাতে তুলে দেন।
এরপর ব্রুনো ধীরগতির রানআপ নিয়ে শট নিলেও গোলরক্ষকের চমৎকার সেভে গোলবঞ্চিত হয় ব্রাজিল। শুরুতেই এই ব্যর্থতা ম্যাচের গতি নির্ধারণে প্রভাব ফেলে।
পেনাল্টির সিদ্ধান্ত ও শট নেওয়ার এই পরিবর্তন নিয়ে ম্যাচের পরপরই আলোচনা শুরু হয়। ভিনিসিয়ুস কেন নিজে শট না নিয়ে ব্রুনোকে সুযোগ দিলেন, তা নিয়ে তৈরি হয় প্রশ্ন।
তবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি আকস্মিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং দলের ভেতরের পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা না পাওয়া পর্যন্ত বিষয়টি নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ক্লাব পর্যায়ে ব্রুনো গিমারাইস নিয়মিত ফ্রি কিক ও সেট পিসে দক্ষতা দেখিয়ে থাকেন। তিনি আগে নেওয়া তিনটি পেনাল্টির সবকটিতেই গোল করেছেন। তবে ব্রাজিল জাতীয় দলে এটিই ছিল তার প্রথম পেনাল্টি।
অন্যদিকে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের পেনাল্টি রেকর্ড মিশ্র। ক্যারিয়ারে নেওয়া ১৯টি পেনাল্টির মধ্যে ১৩টিতে সফল হলেও জাতীয় দলের জার্সিতে তার সাফল্যের হার তুলনামূলকভাবে কম। সেই কারণেও সিদ্ধান্তটি প্রভাবিত হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

