

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ফেসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থেকে বাংলাদেশি কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারদের অর্জিত আয়ের ওপর প্রস্তাবিত ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ উৎসে কর আরোপের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে সরকার। ফলে এ খাতের আয় এখন রেমিট্যান্স হিসেবে বিবেচিত হবে এবং ব্যাংকের মাধ্যমে দেশে এলে এর ওপর কোনো উৎসে কর কাটা হবে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা থাকতে পারে। সরকারের এ উদ্যোগকে ডিজিটাল অর্থনীতি ও ফ্রিল্যান্সিং খাতের জন্য ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান সম্প্রসারণকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে ফ্রিল্যান্সিং, কনটেন্ট ক্রিয়েশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সাইবার নিরাপত্তাসহ উদীয়মান প্রযুক্তি খাতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনার কথাও বিভিন্ন পর্যায়ে তুলে ধরা হয়েছে।
বর্তমানে অনেক বাংলাদেশি কনটেন্ট নির্মাতা ও ফ্রিল্যান্সার ইউটিউব মনিটাইজেশন, ফেসবুকের আয় কর্মসূচি, ব্র্যান্ড প্রচারণা এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছেন। এসব অর্থ ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে আনার পর এত দিন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ উৎসে কর কেটে রাখা হতো।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কর প্রত্যাহারের ফলে বৈধ পথে বৈদেশিক আয় দেশে আনার প্রবণতা বাড়বে। একই সঙ্গে ডিজিটাল উদ্যোক্তা, কনটেন্ট নির্মাতা ও স্বাধীন পেশাজীবীদের জন্য এটি নতুন উৎসাহ হিসেবে কাজ করতে পারে।
তথ্যপ্রযুক্তি খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, ডিজিটাল অর্থনীতির বিকাশে কর সুবিধার পাশাপাশি সহজ আর্থিক সেবা, উদ্যোক্তাদের জন্য সহায়তা এবং দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত স্থিতিশীলতাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
