

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের একটি বাসা থেকে ফারজানা আক্তার (১৭) নামে এক গৃহপরিচারিকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মরদেহ উদ্ধারের পর পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর আগে তিনি সেজেগুজে ছিলেন। এ ঘটনায় মৃত্যুর কারণ নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার (০২ আগস্ট) ভোরে পৌর শহরের মেড্ডা পোদ্দারবাড়ি এলাকার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ফারজানা বিজয়নগর উপজেলার পত্তন ইউনিয়নের দত্তখলা গ্রামের সোলামুড়া এলাকার খলিল মিয়ার মেয়ে।
প্রায় ৫ মাস ধরে তিনি মেড্ডা পোদ্দারবাড়ি এলাকার একটি বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রাতে বাসার ডাইনিংরুমে ফ্যানের হুকের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ফারজানাকে ঝুলতে দেখা যায়।
খবর পেয়ে পুলিশ দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় দেখা যায়, মৃত্যুর আগে তিনি সেজেগুজে ছিলেন। তবে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ফারজানার বাবা খলিল মিয়া বলেন, গত শুক্রবার তিনি মেয়েকে দেখতে গিয়ে ৫০ টাকা দিয়ে এসেছিলেন। রোববার সকালে মেয়ের মৃত্যুর খবর পান। বাসার লোকজন তার মৃত্যুর বিষয়ে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
তার অভিযোগ, মেয়েকে নির্যাতনের পর হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়ে থাকতে পারে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির দাবি জানান।
সদর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, এক গৃহপরিচারিকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এটি আত্মহত্যা, নাকি অন্য কোনো ঘটনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।