

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


হোটেল, রেস্টুরেন্ট, শপিংমল কিংবা বিমানবন্দরের মতো পাবলিক প্লেসে টয়লেটের দরজায় প্রায়ই ‘WC’ বা ‘ডব্লিউসি’ লেখাটি আমাদের চোখে পড়ে।
আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এই সংক্ষিপ্ত রূপটি ভাষা না জেনেও যে কেউ সহজে বুঝতে পারে। তবে অনেকেই নিয়মিত এটি ব্যবহার করলেও এর প্রকৃত অর্থ কিংবা পেছনের ইতিহাস সম্পর্কে জানেন না।
মূলত, ‘WC’ এর পূর্ণরূপ হলো ‘Water Closet’ (ওয়াটার ক্লোসেট)।
এই শব্দটির উৎপত্তি উনিশ শতকের দিকে ইউরোপে, বিশেষ করে ইংল্যান্ডে। সেই সময়ে যখন আধুনিক ফ্লাশ টয়লেটের প্রচলন শুরু হয়, তখন মলমূত্র নিষ্কাশনের জন্য বাড়ির ভেতরে পানির ব্যবস্থাসম্পন্ন ছোট ও আলাদা একটি কক্ষ তৈরি করা হতো।
এই বন্ধ বা ছোট ঘরটিকে বোঝাতেই ‘ওয়াটার ক্লোসেট’ শব্দটি ব্যবহার করা হতো। আমেরিকায় ‘ক্লোসেট’ বলতে সাধারণত কাপড়ের আলমারি বোঝালেও,
এই প্রেক্ষাপটে এটি দিয়ে মূলত একটি ছোট, আলাদা কক্ষকে বোঝানো হয়েছে, যার অর্থ দাঁড়ায় পানিনির্ভর স্যানিটেশন ব্যবস্থাযুক্ত একটি ছোট ঘর।
বর্তমানে বিশ্বজুড়ে, বিশেষ করে ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলোতে টয়লেট বা বাথরুম বোঝাতে এই ‘ডব্লিউসি’ শব্দটি ব্যাপকভাবে প্রচলিত। অবশ্য দেশ ভেদে এই সম্বোধনে কিছুটা ভিন্নতা দেখা যায়।
যেমন- আমেরিকায় টয়লেটকে সাধারণত ‘রেস্টরুম’, ‘বাথরুম’ বা ‘ওয়াশরুম’ বলা হয়, আবার ব্রিটিশ ইংরেজিতে ‘টয়লেট’ বা ‘ল্যাবরেটরি’ শব্দের ব্যবহার রয়েছে।
তা সত্ত্বেও, একটি নিরপেক্ষ, সংক্ষিপ্ত ও সর্বজনীন প্রতীক হওয়ায় আন্তর্জাতিক পরিবেশে ‘ডব্লিউসি’ লেখাটিই সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।
