

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে পিছিয়ে পড়ার পর সমতায় ফিরেছিল জার্মানি। ম্যাচজুড়ে বলের দখল, আক্রমণের সংখ্যা ও সুযোগ; সব দিকেই এগিয়ে ছিল তারা। তবু শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয়েছে চারবারের চ্যাম্পিয়নদের। ফলাফলের পেছনে প্রতিপক্ষের চেয়ে নিজেদের দুর্বলতাই বড় হয়ে দেখা দিয়েছে।
ম্যাচের শুরু থেকেই জার্মানির রক্ষণভাগ ছিল অস্থির। প্রথম গোলের সময় জুলিও এনসিসোকে প্রায় বিনা বাধায় হেড নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। ওই মুহূর্তে ডিফেন্ডারদের অবস্থান ও সমন্বয়ের ঘাটতি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সাম্প্রতিক সময়ে ধারাবাহিকভাবে গোল হজম করার প্রবণতাও আবার সামনে আসে।
মাঝমাঠে বলের দখল থাকলেও সেটিকে কার্যকর আক্রমণে রূপ দিতে পারেনি জার্মানি। রক্ষণ থেকে আক্রমণে ওঠার গতি ছিল ধীর, ফলে প্যারাগুয়ে বারবার নিজেদের রক্ষণ সাজিয়ে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। বক্সের আশপাশে পৌঁছেও শেষ পাস কিংবা ফিনিশিংয়ে দেখা গেছে সিদ্ধান্তহীনতা।
কোচের একাদশ নির্বাচনও আলোচনায় এসেছে। ম্যাচের শুরুতে যে কৌশল নিয়ে দল মাঠে নামে, সেটি প্রত্যাশামতো কাজ করেনি। আক্রমণভাগে সমন্বয়ের অভাব ছিল স্পষ্ট। দ্বিতীয়ার্ধে বদলি খেলোয়াড় নামানোর পর কিছুটা ছন্দ ফিরলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেওয়া যায়নি।
অতিরিক্ত সময়ে জোনাথন তাহের হেড থেকে পাওয়া সম্ভাব্য জয়সূচক গোল ভিএআরের সিদ্ধান্তে বাতিল হওয়ার পর জার্মান ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাসে প্রভাব পড়ে। এরপর তারা চেষ্টা চালিয়ে গেলেও আগের মতো ধারালো আক্রমণ আর গড়ে তুলতে পারেনি।
শেষ পর্যন্ত ভাগ্য নির্ধারণ হয় টাইব্রেকারে। একসময় এই বিভাগে মানসিক দৃঢ়তার জন্য পরিচিত জার্মানি এবার সেই পরীক্ষায় সফল হতে পারেনি। গুরুত্বপূর্ণ শট নষ্টের মূল্য দিয়েই বিশ্বকাপ মিশন শেষ করতে হয়েছে তাদের।
