

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


এই ছাত্রদল-যুবদল কেউ থাকবে না, আমরা ছাত্রলীগ-যুবলীগও দেখেছি বলে মন্তব্য করেছেন সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর।
তিনি বলেন, দলীয় রাজনীতিতে সময়ের সঙ্গে পরিবর্তন এলেও বিভিন্ন দলে সুবিধাবাদীদের প্রবেশের প্রবণতা থেকে যায়। একই সঙ্গে দেশের রাজনৈতিক বিভাজন নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন এই সংগীতশিল্পী।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আসিফ আকবর বলেন, ‘যুগে যুগে থাকে, শুধু ভোল্টটা পরিবর্তন হবে। মুজিব কোটের ছয় বোতাম থেকে চার বোতামে চলে আসবে। হ্যাঁ, ব্লেজারে চলে বিএনপি। আবার মুজিব কোটে নাই তো। কোট-সুট ভোটে আছে।’
বিএনপি সরকারে আসার আগের একটি ভিডিওর প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘বিএনপি সরকার আসার আগে একটা ভিডিও দেখছি, উনার ভবিষ্যৎ করছিলাম। এই ছাত্রদল-যুবদলের কেউ থাকবে না। ওই আমরা ছাত্রলীগ-যুবলীগও দেখছি।’
তিনি বলেন, ‘যারা দেশকে ভালোবাসে, দলকে রিয়েলি ভালোবাসে, তাদেরকে আস্তে করে সেট করে দেবেন। পরে আসেন তারা কারা, তারা জানে কীভাবে ঢুকে যেতে হয়। এটা সবসময় হবে, যতদিন দলীয় পলিটিক্স থাকবে, পুঁজিবাদী পলিটিক্স থাকবে।’
রাজনীতিতে পরিবর্তনের জন্য আওয়াজ তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসিফ আকবর বলেন, ‘কিন্তু আমাদের কী করতে হবে, এখান থেকে আওয়াজ তুলতে হবে। কারণ এই যে ক্যামেরাগুলি অন আছে, এই যে শ্রোতারা যারা শুনতেছে, আমি নিশ্চিত আমার কথা ভালো লাগতেছে। ভালো না লাগলে মাফ করে দিও। ছাড়ব না আমরা, আমরা মিনিমাম ছাড় দেব না।’
নিজের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এই ঝামেলা করার জন্য আমার জন্ম হইছে। বাংলাদেশে ঝামেলার গানও ছয়টা আমার। সুতরাং আমি করতেই থাকব।’
এ সময় দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন তিনি। আসিফ আকবর বলেন, ‘ব্যবসা-বাণিজ্য তো করি না, শুধু গান গাই। আমার পৃথিবী ছোট হয়ে আসতেছে। এ বন্ধু, সব বিদেশ থেকে ফোন দিছে, ভাই আপনি খামাখা বাংলাদেশে হবে না। আপনার বিএনপি পাওয়ার আসার পর আপনি বাম লাগাইছেন। আমি লেটেস্ট এবং মানে এটা কী কমু, ওয়ার্ড তা আমি হাসতে হাসতে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি কিন্তু দেশে ছিলাম, ১৭ দেশে ছিলাম। কিন্তু এখন যে অবস্থা, দৃষ্টি আমার যে নমুনা, আমার মনে হচ্ছে আমরা অনেক বিভাজিত, অনেক বিভক্ত। আমরা একজন আওয়ামী লীগ, একজন বিএনপি, একজন জামায়াত, একজন এনসিপি, একজন কমিউনিস্ট একজন। কিন্তু আমরা কেউ বাংলাদেশী না।’


