

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাংলাদেশে সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায় এখন থেকে সর্বোচ্চ ৩৭৫ সিসি ইঞ্জিনক্ষমতার মোটরসাইকেল আমদানি করা যাবে। নতুন আমদানি নীতিতে মোটরসাইকেল আমদানির অনুমোদিত ইঞ্জিনক্ষমতার সীমা বাড়িয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ‘আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬–২০২৯’-এর গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।
নতুন নীতিমালায় মোটরসাইকেল আমদানির পাশাপাশি আমদানির অর্থায়ন ব্যবস্থাতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন থেকে ঋণপত্র (এলসি) খোলার পাশাপাশি কোনো নির্দিষ্ট মূল্যসীমা ছাড়াই শুধু ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির ভিত্তিতেও শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের আমদানিকারকেরা পণ্য আনতে পারবেন।
এর ফলে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মাঝারি ও তুলনামূলক উচ্চক্ষমতার মোটরসাইকেল সরাসরি আমদানির সুযোগ বাড়ল। এতে দেশের মোটরসাইকেলের বাজারে নতুন মডেল ও ব্র্যান্ড যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।
এর আগে ২০২১–২০২৪ সালের আমদানি নীতিতে সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায় ১৬৫ সিসির বেশি ক্ষমতার মোটরসাইকেল আমদানিতে বিধিনিষেধ ছিল। নতুন নীতিতে সেই সীমা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে ৩৭৫ সিসি করা হয়েছে।
নতুন আমদানি নীতিতে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল (ফ্রি ট্রেড জোন) এবং সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যারহাউস প্রতিষ্ঠার বিষয়েও বিধান রাখা হয়েছে। এর ফলে রপ্তানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল সংরক্ষণ ও সরবরাহের ব্যবস্থা আরও সহজ ও গতিশীল হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক বাণিজ্য, লজিস্টিকস ও পুনঃরপ্তানির কেন্দ্র হিসেবে বাংলাদেশের সম্ভাবনাও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্যও নতুন নীতিতে বেশ কিছু সুবিধা রাখা হয়েছে। অনুমোদিত শিল্পপ্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মূলধনি যন্ত্রপাতি, প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ ও কাঁচামাল আমদানির প্রক্রিয়া সহজ করার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি রপ্তানিমুখী অন্যান্য শিল্পের প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানির সুযোগও বাড়ানো হয়েছে।


