বুধবার
২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বুধবার
২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লর্ডস টেস্টের আগে সুখবর পেল পাকিস্তান

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ : ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১০:২৯ এএম
ছবি: সংগৃহীত
expand
ছবি: সংগৃহীত

হেডিংলি টেস্টে ব্যাটিং বিপর্যয়ের পর পাকিস্তান শিবিরে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। আঙুলের চোট কাটিয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডসে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে ফিরতে প্রস্তুত বাবর আজম। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দলের অনুশীলনে পূর্ণাঙ্গ ব্যাটিং সেশন করেছেন তিনি। সবকিছু ঠিক থাকলে বৃহস্পতিবার শুরু হতে যাওয়া টেস্টে একাদশে দেখা যাবে পাকিস্তানের এই তারকা ব্যাটারকে।

পাকিস্তানের বোলিং কোচ উমর গুল জানিয়েছেন, অনুশীলনে বাবরকে বেশ স্বচ্ছন্দই মনে হয়েছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে আঙুলে চোট পেয়েছিলেন তিনি। পরে ইংল্যান্ড সফরের প্রস্তুতি ম্যাচে একই আঙুলে আবার আঘাত পাওয়ায় তার চোট নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল।

মঙ্গলবারের অনুশীলনে অবশ্য সেই শঙ্কা অনেকটাই কেটেছে। ফাস্ট বোলার, স্পিনার ও থ্রোডাউনের বিপক্ষে ব্যাটিং করেছেন বাবর। পূর্ণাঙ্গ একটি ব্যাটিং সেশনও শেষ করেছেন তিনি।

হেডিংলিতে প্রথম টেস্টে পাকিস্তানের ব্যাটিং ছিল হতাশাজনক। দুই ইনিংসে ৮৬ ওভারেরও কম সময়ে পাকিস্তানকে অলআউট করে ইংল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত ইনিংস ও ৫১ রানে হেরে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে যায় পাকিস্তান।

এ অবস্থায় বাবরের ফেরাকে বড় স্বস্তি হিসেবেই দেখছে পাকিস্তান। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সর্বশেষ সিরিজে দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেছিলেন তিনি। দুটি অর্ধশতকসহ ১৯৩ রান করেন বাবর, দুই ইনিংসেই আউট হন মাত্র দুবার।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও বাবরের রেকর্ড ভালো। দেশটির বিপক্ষে ১৪ ইনিংসে তার ব্যাটিং গড় ৫৩.৮৩। এর মধ্যে সাত ইনিংসে পঞ্চাশ বা তার বেশি রান করেছেন তিনি। ইংল্যান্ডের মাটিতে ছয় ইনিংসে তিনটি অর্ধশতক রয়েছে বাবরের, সেখানে তার গড় ৬৫.৭৫।

বাবর একাদশে ফিরলে পাকিস্তানের টপ অর্ডারেও পরিবর্তন আসতে পারে। আজান আওয়াইসকে একাদশের বাইরে রাখা হতে পারে। চার নম্বরে বাবর খেললে শান মাসুদ অথবা আবদুল্লাহ শফিকের একজনকে ওপেনিংয়ে উঠে আসতে হতে পারে।

তবে বাবরের প্রত্যাবর্তনেই সব সমস্যার সমাধান হবে না বলে মনে করছেন উমর গুল। তার মতে, হেডিংলির ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং—তিন বিভাগেই উন্নতি করতে হবে পাকিস্তানকে।

গুলের মতে, টেস্ট জিততে হলে কোনো একটি বিভাগকে অন্য বিভাগের ঘাটতি পূরণ করতে দেওয়া যাবে না। বিশেষ করে ইংল্যান্ডের কন্ডিশনে বোলারদের দায়িত্ব আরও বেশি। প্রতিপক্ষের ২০ উইকেট নিতে না পারলে টেস্ট জয় সম্ভব নয় বলেও মনে করেন তিনি।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন