বুধবার
২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বুধবার
২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশজুড়ে বিদ্যুৎ নিয়ে সুখবর 

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ২৬ আগস্ট ২০২৬, ০২:১৮ পিএম
ফাইল ছবি
expand
ফাইল ছবি

জ্বালানি ঘাটতি, বিদ্যুৎকেন্দ্রের যান্ত্রিক ত্রুটি ও রক্ষণাবেক্ষণ, সঞ্চালন ও গ্রিডের সীমাবদ্ধতা এবং দ্রুত বেড়ে চলা বিদ্যুতের চাহিদার কারণে দেশে বর্তমান বিদ্যুৎ ঘাটতি ও লোডশেডিং পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহের ঘাটতি এবং বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রে কারিগরি সমস্যা ও রক্ষণাবেক্ষণের কারণে উৎপাদন কমে যাচ্ছে।

এর সঙ্গে সঞ্চালন ও গ্রিডের সীমাবদ্ধতা এবং সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যুতের চাহিদা দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। এ অবস্থায় লোডশেডিংয়ের চাপ কমাতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে রাখা এবং কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় দীর্ঘসময় বিদ্যুৎবিচ্ছিন্নতা এড়াতে ঢাকার দুই বিতরণ সংস্থা ডিপিডিসি ও ডেসকোর আওতাধীন এলাকায় প্রয়োজন অনুযায়ী লোডশেডিং সমন্বয় করা হচ্ছে।

এভাবে ঢাকায় লোডশেডিং সমন্বয়ের মাধ্যমে সাশ্রয় করা বিদ্যুৎ গ্রামাঞ্চলসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলে পুনর্বণ্টনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ঢাকার বাইরে শিল্প-কারখানাসহ গুরুত্বপূর্ণ গ্রাহক শ্রেণিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হচ্ছে। একই সঙ্গে গ্রামাঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী ও ঘনঘন লোডশেডিংয়ের চাপও কমানো সম্ভব হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

বিভাগের ভাষ্য, এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে লোডশেডিংয়ের চাপ তুলনামূলকভাবে সুষমভাবে বণ্টন করা যাচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় ভারসাম্য বজায় রাখা এবং কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চল বা গ্রাহক শ্রেণিকে দীর্ঘসময় বিদ্যুৎবঞ্চিত না রাখাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি, বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা ফিরিয়ে আনা এবং গ্রিডের সীমাবদ্ধতা দূর করা গেলে পরিস্থিতি আরও স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

এদিকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের দায়িত্বে থাকা রাষ্ট্রীয় সংস্থা পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে দেশে লোডশেডিং ছিল ২ হাজার ২৫৯ মেগাওয়াট। ওই সময় জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ১৭৬ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে উৎপাদন হয় ১৩ হাজার ৯১৭ মেগাওয়াট।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন