

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


কাজের প্রয়োজনে করতে গিয়ে কপালে ‘বোটক্স’ করানোর সিদ্ধান্তকে নিজের জীবনের অন্যতম বড় ভুল বলে মনে করেন বলিউড অভিনেত্রী ও উপস্থাপক মিনি মাথুর। প্রায় ১৫ বছর আগে একটি আউটডোর শোয়ের শুটিং চলাকালে কড়া রোদের কারণে তার কপালে স্পষ্ট ভাঁজ ও গভীর রেখা ফুটে উঠছিল।
ক্যামেরার সামনে তা দেখতে খারাপ লাগায় শুটিং দলের পরামর্শে চিকিৎসকের কাছে যান তিনি এবং কপালের সেই অংশটি ইনজেকশনের মাধ্যমে অবশ (ফ্রিজ) করিয়ে নেন।
তবে সেই চিকিৎসার পর আসল ভোগান্তি শুরু হয়। ইনজেকশনের প্রভাবে তার মুখের পেশি এতটাই শক্ত হয়ে যায় যে, অভিনয়ের সময় ভেতরের আবেগ, দুঃখ কিংবা স্বাভাবিক অনুভূতিগুলো তিনি আর মুখে ফুটিয়ে তুলতে পারছিলেন না।
যদিও ভাগ্যক্রমে এই সমস্যাটি তিন মাস পর স্বাভাবিক হয়ে আসে, কিন্তু আগে থেকে এর ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে না জেনেই এই চিকিৎসা করানো নিয়ে মিনি গভীরভাবে অনুশোচনা প্রকাশ করেন।
এই তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে অভিজ্ঞতা শেয়ার করে মিনি জানান, সৌন্দর্য বাড়ানোর সিদ্ধান্ত পুরোপুরি ব্যক্তিগত। তবে কোনো নারী দেখতে কেমন হবেন, তা নির্ধারণ করার অধিকার সমাজ বা অন্য কারও থাকা উচিত নয়।
বর্তমান যুগে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমের প্রভাবে অল্প বয়সেই কৃত্রিম উপায়ে সুন্দর হওয়ার যে প্রবণতা তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে তরুণ প্রজন্মকে কৃত্রিমতার পেছনে না ছুটে নিজেদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকেই ভালোবাসার আহ্বান জানান এই তারকা।