

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ায় স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক বিএনপিকর্মীর বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে এই তালাক দেওয়া হলেও আজ রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। ভুক্তভোগী নারী আজ দুপুরে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানিয়েছেন।
ওই নারী শিবগঞ্জ উপজেলার শেখটোলা গ্রামের মো. সৈবুর রহমানের স্ত্রী। সৈবুর আগে রিকশা চালালেও এখন বেকার। ৩০ বছরের বিবাহিত জীবনে তাদের সংসারে দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। এর মধ্যে দুই মেয়ের একজনের বয়স ২৮ ও অপরজনের বয়স ২৫ বছর, ছেলের বয়স এখন ১৯ বছর।
অভিযোগ করে ভুক্তভোগী নারী বলেন, আমার স্বামী বিএনপি করেন। ভোটের দিন ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার সময় তিনি আমাকে বলেন, সব ঠিক থাকে যেন। কিন্তু আমি দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়েছি। আমি আগেও জামায়াতের বিভিন্ন প্রোগ্রামে গেছি, যা আমার স্বামী জানতেন। কিন্তু মানুষজনের কথা শুনে তিনি আমাকে তালাক দিয়েছেন।
এ ঘটনায় কোনো আইনি পদক্ষেপ নেননি তিনি। তার ছেলে বলেন, আমরা এখন আমার ফুফুর বাড়িতে আছি। মাকে তালাক দেওয়ার পর আমার বাবা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে ভুল স্বীকার করেছেন। কিন্তু আমার মা আর বাবার সংসারে ফিরতে চান না।
এ বিষয়ে সৈবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমার ভুল হয়ে গেছে। রাগের মাথায় বউকে তালাক দিয়ে দিয়েছি। এখন লোক লাগিয়েছি তাকে ফিরিয়ে আনার জন্য।
বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার শিবগঞ্জ পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক এসএম মহিউদ্দিন বলেন, ভোট একটি গণতান্ত্রিক অধিকার। ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে সৈবুর রহমান তার স্ত্রীকে তালাক দিয়েছে, যা একটি স্পষ্ট মানবাধিকার লঙ্ঘন।
জামায়াতে ইসলামী শিবগঞ্জ পৌর নায়েবে আমির আব্দুল আজিজ মাহমুদ বলেন, দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার জন্য যেহেতু তারাফুল খাতুনকে তালাক দেওয়া হয়েছে, সেহেতু দল তার সকল প্রয়োজনে পাশে থাকবে।
মন্তব্য করুন

