

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) ভিপি আব্দুর রশিদ জিতুর সঙ্গে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের এক কর্মীর কথোপকথন ও চ্যাটের তথ্য প্রকাশ্যে আসার দাবি করে বিষয়টি তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় ছাত্রশক্তি। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে রিকশাচালক, দোকানি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগেরও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছে সংগঠনটি।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানায় জাতীয় ছাত্রশক্তির জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনটির জাবি শাখার সভাপতি জিয়াউদ্দিন আয়ান।
সম্প্রতি আটক হওয়া নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ কর্মী আসাদুল আলম শেখের সঙ্গে জাকসু ভিপি আব্দুর রশিদ জিতুর যোগাযোগের বিষয়টি সংবাদ সম্মেলনে গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরে ছাত্রশক্তি। সংগঠনটির দাবি, আসাদুলের সঙ্গে জিতুর বেশ কিছু কথোপকথন ও চ্যাটের তথ্য তাদের সামনে এসেছে।
এসব কথোপকথনের একটি বার্তায় জিতুর বক্তব্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়, ‘আমি ভিপি হওয়া মানে তুই ভিপি, তোরা ভিপি।’
জিতু ও আসাদুলের কথোপকথনের দাবি করা কয়েকটি স্ক্রিনশট স্টার নিউজের কাছেও এসেছে।
ছাত্রশক্তির দাবি, আসাদুলের সঙ্গে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, বিশ্ববিদ্যালয়ের বহিষ্কৃত শিক্ষক আরাফ বেবী এবং জাকসু ভিপির যোগাযোগের তথ্য সামনে এসেছে। তবে এসব তথ্যের সত্যতা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হল থেকে তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিভাগের ৫১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আসাদুল আলম শেখকে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার অভিযোগে আটক করা হয়।
এ বিষয়ে ছাত্রশক্তির নেতারা বলেন, শুধু অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করার পক্ষে তারা নন। ডিজিটাল তথ্য, চ্যাট ও অন্যান্য প্রমাণ আইনানুগ পদ্ধতিতে যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা বের করার দাবি তাদের।
তাদের ভাষ্য, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কোনো ধরনের রাজনৈতিক পুনর্বাসনের সুযোগ থাকা উচিত নয়। অভিযোগ তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে আসাদুল, জাকসু ভিপিসহ সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে আব্দুর রশিদ জিতুর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

