

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ময়মনসিংহ জেলার নবগঠিত 'দক্ষিণ গফরগাঁও' উপজেলার সদরদপ্তর (কার্যালয়) ভৌগোলিক সুবিধাজনক স্থান ও উপজেলার কেন্দ্রস্থল হিসেবে পরিচিত ১৬৩ নং জে.এল. ভুক্ত পাগলা মৌজাতে (বর্তমান পাগলা থানার পাশে) স্থাপনের জোরালো দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে 'দক্ষিণ গফরগাঁও নাগরিক ঐক্য'-এর পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে এ দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, গত ১ জুলাই অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)-এর সভায় ময়মনসিংহ জেলার পাগলা থানাকে ৮টি ইউনিয়ন নিয়ে 'দক্ষিণ গফরগাঁও' নামে নতুন উপজেলা হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
দীর্ঘদিনের এ প্রাণের দাবি বাস্তবায়িত হওয়ায় ময়মনসিংহ-১০ আসনের স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং বর্তমান সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন নাগরিক ঐক্যের নেতৃবৃন্দ।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, নবগঠিত দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের ভৌগোলিক অবস্থান ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বিবেচনা করলে পাগলা মৌজাই হলো এর মূল মধ্যস্থল। পাগলা থানার পার্শ্ববর্তী এই স্থানে উপজেলার প্রশাসনিক কার্যালয় ও সদরদপ্তর স্থাপিত হলে সাধারণ নাগরিকরা সহজে ও স্বল্প খরচে প্রশাসনিক সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
দক্ষিণ গফরগাঁও নাগরিক ঐক্যের নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি প্রশাসনিক সুবিধার তোয়াক্কা না করে কোনো কায়েমি স্বার্থান্বেষী মহলের প্রভাবে অন্য কোথাও উপজেলা সদরদপ্তর স্থাপনের চক্রান্ত করা হয়, তবে এ অঞ্চলের সর্বস্তরের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। তারা অবিলম্বে পাগলা মৌজাকে নবগঠিত দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার কার্যালয় হিসেবে গেজেটভুক্ত করার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, নাগরিক ঐক্যের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।