

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস ও পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুজন সবজি ব্যবসায়ী এবং একজন সবজি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নবীগঞ্জ উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নের রোকনপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাঁক ইউনিয়নের কারখানা গ্রামের সুফি মিয়ার ছেলে ও ইনাতগঞ্জ বাজারের সবজি ব্যবসায়ী মশহুদ আহম্মদ (৪০) ইনাতগঞ্জ দক্ষিণ গ্রামের ময়না মিয়ার ছেলে সবজি ব্যবসায়ী আবুল কাশেম (৫০) এবং ইনাতগঞ্জ বাজারের ফাহিম সবজি ভাণ্ডারের কর্মচারী ময়না মিয়া (৩০)।
শেরপুর হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জসিম উদ্দিন জানান, দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই মশহুদ আহম্মদের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় আরও চারজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবুল কাশেম ও ময়না মিয়ার মৃত্যু হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে ইনাতগঞ্জ বাজারের কয়েকজন সবজি ব্যবসায়ী ও কর্মচারী একটি পিকআপ ভ্যানে করে বাহুবল উপজেলার দিগাম্বর বাজারে কাঁচামাল কিনতে যাচ্ছিলেন। পিকআপটি ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের রোকনপুর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা লাকি পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষের পর পিকআপটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে পিকআপে থাকা মশহুদ আহম্মদ ঘটনাস্থলেই মারা যান। পিকআপের চালকসহ আরও চারজন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা ও হাইওয়ে পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে আবুল কাশেম ও ময়না মিয়া মারা যান।
আহত আরও দুজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের পরিচয় ও শারীরিক অবস্থার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে শেরপুর হাইওয়ে থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও পিকআপটি সরিয়ে নেয়। এতে মহাসড়কে কিছু সময় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনার পর বাসটি ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে আউশকান্দি এলাকায় নেওয়া হলে সেটি জব্দ করা হয়। দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও পিকআপটি বর্তমানে হাইওয়ে থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।
শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, কী কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।


