

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের মাদামবিবি হাট, চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকার বাসিন্দা,সৌদি আরবে কর্মরত এক প্রবাসী বাংলাদেশির আকস্মিক মৃত্যু হয়েছে।তার নাম মো. শফিউল আলম। তিনি দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর ধরে সৌদি আরবে কর্মরত ছিলেন এবং পরিবারের জীবিকা নির্বাহের পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ভোরে সৌদি আরবে নিজ বাসভবনে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন শফিউল আলম। পরে তিনি স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও এলাকার মানুষের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহত শফিউল আলম চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের খাদেমপাড়া গ্রামের শাহ আলমের নতুন বাড়ির বাসিন্দা এবং মো. আরিফুর রহমানের পুত্র।
নিহতের মেয়ের জামাই মামুনুর রশিদ জানান, “আমার শ্বশুর প্রায় ২৫ বছর ধরে প্রবাসে কর্মরত ছিলেন। পরিবারের সুখ-সমৃদ্ধির জন্য তিনি জীবনের দীর্ঘ সময় প্রবাসে কাটিয়েছেন। হঠাৎ তার মৃত্যুর খবর আমাদের সবাইকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। পরিবারে এখন শোকের মাতম চলছে।”
তিনি আরও বলেন, মরদেহ দ্রুত দেশে এনে পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের শেষবারের মতো দেখার সুযোগ করে দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন। এ বিষয়ে সরকারের আন্তরিক সহায়তা কামনা করেছেন তারা।
শফিউল আলমের মৃত্যুর সংবাদ এলাকায় পৌঁছালে আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে শোকের আবহ সৃষ্টি হয়। তার বাড়িতে ভিড় জমাতে থাকেন স্থানীয়রা। স্বজনদের আহাজারিতে পুরো এলাকায় এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, শফিউল আলম ছিলেন অত্যন্ত সজ্জন, পরিশ্রমী ও মানবিক একজন মানুষ। দীর্ঘ প্রবাসজীবনে তিনি পরিবার ও এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিভিন্ন সময়ে। তার মৃত্যুতে পরিবার একজন অভিভাবক হারিয়েছে, আর এলাকাবাসী হারিয়েছে একজন ভালো মানুষকে।
বর্তমানে তার মরদেহ সৌদি আরবে রয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ দ্রুত দেশে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।