সোমবার
০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সোমবার
০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়ের বাংলাদেশ পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হয়নি’

বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:২৫ পিএম
জোনায়েদ সাকী
expand
জোনায়েদ সাকী

গণসংহতি আন্দোলন বাংলাদেশের প্রধান সম্বনয়ক ও বিএনপি মনোনিত প্রার্থী জোনায়েদ সাকী বলেছেন, একটি রক্তস্নাত অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ার ঐতিহাসিক সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। জনসভার শুরুতে মহান মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন গণআন্দোলনে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়।

আজ শনিবার বিকালে বাঞ্ছারামপুর মাওলাগঞ্জ বাজার মাঠে নির্বাচনী মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সাকী বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়ের বাংলাদেশ পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তারা স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণ করেন এবং দাবি করেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সবচেয়ে বেশি নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

আরও বলেন, প্রতিশোধের রাজনীতি পরিহার করে জাতীয় ঐক্য গড়ার আহ্বান জানানো হয়। মজলুম জননেতা মাওলানা ভাসানীর আদর্শ অনুসরণ করে কৃষক-শ্রমিকসহ খেটে খাওয়া মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদ বিরুধী আন্দোলনে সোনারামপুর ইউনিয়ন ছাত্রদল সহ-সভাপতি নয়ন মিয়া পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে।

এছাড়াও জুলাই গণঅভূত্থানে আশিক, তুহিন, ইসমাইল, ইমরান রক্ত বাঞ্ছারামপুরবাসীকে গৈারবান্মিত করে গেছেন। তাদের রক্তের ঋণ শোধ করতে বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠন জরুরি।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে যুগপৎ জোটের পক্ষে ভোট চেয়ে বক্তারা রাষ্ট্রব্যবস্থা সংস্কার ও ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। বাঞ্ছারামপুরের উন্নয়নে রাস্তাঘাট সংস্কার, গ্যাস সরবরাহ, জলাবদ্ধতা নিরসন, মেঘনা ব্রিজ নির্মাণ, বেরিবাঁধ ও শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরা হয়।

এছাড়া কৃষক, শ্রমিক, ইমাম, পুরোহিতসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা, কৃষি কার্ড ও আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেয় তিনি।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য এমএ খালেক, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এ্যাড. জিয়াউদ্দিন জিয়া, এ্যাড. রফিক শিকদার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম, যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক বেলাল উদ্দিন সরকার তুহিন, উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক ভিপি একে এম মূসা, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদ, পৌর বিএনপির সভাপতি এমদাদুল হক সাঈদ, সাধারন সম্পাদক সালে মূসা, উপজেলা গণসংহতি আন্দোলন সম্বনয়ক শামীম শিবলীসহ উপজেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল, ছাত্রদল ও উপজেলা গণসংহতি আন্দোলন এবং কেন্দ্রীয় গণসংহতি আন্দোলনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন