

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ঢাকায় নির্বাচনী প্রচারণার সময় ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী নাসির উদ্দীন পাটোয়ারীর ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বরিশাল-৩ আসনের ১০ দলীয় জোটের সংসদ সদস্য প্রার্থী এবং আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।
একই সঙ্গে তিনি বরিশাল-৩ আসনে ভোটার ও নেতাকর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, কেন্দ্র দখলের হুমকি এবং ক্রমাবনত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
সোমবার (২৭ জানুয়ারি) নিজের ফেসবুক পেজে লাইভে এসে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, ঢাকায় নির্বাচনী প্রচারণাকালে নাসির উদ্দীন পাটোয়ারীর ওপর ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের হামলা ন্যাক্কারজনক ও গণতন্ত্রবিরোধী।
তিনি দাবি করেন, এ ধরনের সহিংসতার ঘটনা শুধু ঢাকায় নয়, সারা দেশেই ঘটছে এবং বরিশাল-৩ আসনেও একই ধরনের পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
তিনি অভিযোগ করেন, কয়েকদিন আগে তাঁর এক নির্বাচনী কর্মী পোস্টার লাগানোর সময় হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত হন। এসব ঘটনা মাঠ পর্যায়ে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনী পরিবেশ না থাকারই প্রমাণ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, নির্বাচন কমিশন ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে একাধিকবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা চোখে পড়ছে না। তাঁর মতে, বরিশাল-৩ একটি ঝুঁকিপূর্ণ ও অবহেলিত আসন। পাঁচটি নদী ও বিস্তৃত যোগাযোগবিচ্ছিন্ন এলাকার কারণে এখানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এসব এলাকায় নিয়মিত ভোটার ও সমর্থকদের ভয় দেখানো হচ্ছে এবং কেন্দ্র দখলের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এই আসনের দুই উপজেলায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হলেও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও অভিযান বাস্তবে দৃশ্যমান নয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
নাসির উদ্দীন পাটোয়ারীর ওপর হামলার প্রসঙ্গ টেনে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, এ ধরনের সহিংসতা গণতান্ত্রিক নির্বাচনী পরিবেশকে গুরুতরভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
এ সময় তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমানের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বড় সমাবেশকে কেন্দ্র করে সহিংসতা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে দলটির রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
তিনি বলেন, “৩১ দফা সংস্কারের নীতিগত লক্ষ্যকে আমরা সমর্থন করি। তবে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও সহিংসতার অভিযোগে জড়িত ব্যক্তিদের দিয়ে সেই সংস্কার বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।”
ব্যারিস্টার ফুয়াদ সতর্ক করে বলেন, নির্বাচনী সহিংসতা বন্ধ না হলে শুধু নির্বাচনই নয়, নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতিও অস্থিতিশীল হয়ে পড়বে। সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরাপদ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং নির্বাচন কমিশনের আরও কার্যকর ভূমিকা দাবি করেন তিনি।
মন্তব্য করুন
