

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সাতক্ষীরায় প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫-এর ভাইভা চলাকালে লিখিত পরীক্ষার কাগজে থাকা হাতের লেখার সঙ্গে ভাইভা বোর্ডের সামনে দেওয়া হাতের লেখার অমিল ধরা পড়েছে।
এ ঘটনায় এক নারী প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে এবং পরে তাঁকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়।
আটক প্রার্থীর নাম আসমা খাতুন। তাঁর রোল নম্বর ৫৯২৪০৫৪।
জেলা প্রশাসনের মিডিয়া সেল থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ভাইভা পরীক্ষার সময় প্রার্থীর লিখিত পরীক্ষার ওয়েমার শিটে থাকা হাতের লেখার সঙ্গে ভাইভা বোর্ডের সামনে দেওয়া হাতের লেখার মধ্যে অমিল দেখা যায়।
বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় ভাইভা বোর্ড তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর প্রার্থিতা বাতিল করে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পরবর্তীতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। মামলা দায়েরের পর সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই নারীকে পুলিশি হেফাজতে নেয়।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা হয়েছে।
অন্যদিকে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. রুহুল আমীন বলেন, মেয়েটি রাত পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ছিল। আমাকে থানায় অভিযোগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল।
পরে আমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করি। তবে সর্বশেষ কী অবস্থা খোঁজ নিতে পারিনি।
তিনি আরও বলেন, ভাইভাতে সে ভালো করতে পারেনি। এজন্য সন্দেহ হচ্ছে হয়তো তার পরীক্ষা অন্য কেউ দিয়ে দিয়েছে।
কিন্তু যেভাবে ঘটনাটি ঘটেছে, সেটি অমানবিক। মেয়েটি গরিব, স্বামী সম্ভবত পঙ্গু, দুই সন্তান রয়েছে। ভাইভা দিয়ে সে বাড়ি চলে গিয়েছিল। পরে তাকে বাসা থেকে আবার ডেকে এনে আটক রাখা হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক আফরোজা আখতার-এর বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন
