

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ইরানের নেতারা অত্যন্ত ‘কঠোর’ ও ‘অহংকারী’ হওয়ায় চলমান যুদ্ধ বন্ধে এখনও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কোনো চুক্তিতে পৌঁছায়নি। তবে শেষ পর্যন্ত তাদের চুক্তিতে আসা ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (৫ জুন) উইসকনসিনের চিপেওয়া ফলসে এনবিসি নিউজের মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে দেয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এসব কথা বলেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘তারা শক্তিশালী, তারা অহংকারী। এমন কিছু বিষয় আছে, যা তারা কখনো করবে বলে ভাবেনি। কিন্তু এখন তাদের সেগুলো করতেই হবে। তাদের সামনে কোনো বিকল্প নেই, তবে এতে কিছুটা সময় লাগছে।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেন, এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ‘সামরিক বাহিনীকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে’। তবে তিনি বলেন, ইরানের কাছে এখনো কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন রয়ে গেছে। ট্রাম্প বলেন, ‘তাদের বেশির ভাগ ড্রোন তৈরির কারখানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, বেশির ভাগ উৎক্ষেপণ কেন্দ্র (লঞ্চিং প্যাড) ধ্বংস করা হয়েছে এবং বেশির ভাগ ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন এলাকাগুলোও ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাদের এখনো কিছু সক্ষমতা আছে। তাদের কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন রয়েছে।
ট্রাম্প আরও বলেন, শতকরা হিসাবে তাদের হয়তো ২১ থেকে ২২ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র বাকি আছে। এটিও অনেক ক্ষেপণাস্ত্র, তবে আমরা যখন প্রথম হামলা চালিয়েছিলাম-তার তুলনায় এটি কিছুই না।’ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নৌ অবরোধ আগামী সেপ্টেম্বর মাসের শ্রম দিবসের পরও বহাল থাকার সম্ভাবনা কম।
তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘ সময় ধরেই ইরানের কড়া সমালোচক। তিনি এবং তার প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বলেছেন, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলার মাধ্যমে শুরু হওয়া এই যুদ্ধ অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ছিল। মূলত ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
