

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের ‘পিকঅ্যাক্স পর্বত’ নামে পরিচিত কথিত পারমাণবিক স্থাপনাকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এটি ইরানের অন্যতম সুরক্ষিত সামরিক স্থাপনা হিসেবে বিবেচিত হয়।
তেহরানের দক্ষিণে অবস্থিত এ স্থাপনাটির ভেতরে মাটির গভীরে দুটি সুড়ঙ্গ কমপ্লেক্স রয়েছে, যা সম্পূর্ণ ধ্বংস করা অত্যন্ত কঠিন বলে ধারণা করা হয়।
মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শক্তিশালী বাঙ্কার-বিধ্বংসী বোমার আঘাত থেকেও সুরক্ষা দিতে স্থাপনাটি পাহাড়ের গভীরে কয়েকশ মিটার গ্রানাইট শিলাস্তরের নিচে নির্মাণ করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ওয়েবসাইট আল-মনিটর-এর তথ্য অনুযায়ী, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সন্দেহ, সেখানে গোপনে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ-সংক্রান্ত স্থাপনা গড়ে তোলার চেষ্টা করছে তেহরান, যা তাদের পারমাণবিক কর্মসূচির জন্য একটি কৌশলগত সুরক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করতে পারে।
তবে ২০২০ সালে নির্মাণকাজ শুরুর পর থেকেই ইরান দাবি করে আসছে, স্থাপনাটি শুধুমাত্র উন্নত সেন্ট্রিফিউজ সংযোজন ও উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।
এদিকে, সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পিকঅ্যাক্স পর্বত সম্পর্কে কঠোর মন্তব্য করেছেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা পিকঅ্যাক্স পর্বত গুঁড়িয়ে দেব। ইরানিদের প্রস্তুত থাকতে বলুন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা পিকঅ্যাক্স পর্বত খুব নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। সেখানে তেমন কোনো কার্যক্রম আমরা দেখছি না। তাদের পারমাণবিক পরিস্থিতি খুব একটা সুবিধাজনক নয়। যখনই আমরা এ বিষয়ে কিছু শুনি, আমরা তা ধ্বংস করে দিই। তাই তারা এ নিয়ে কথা বলতে চায় না। তবে খুব সম্ভবত আমরা শিগগিরই পিকঅ্যাক্স পর্বতে হামলা চালাব।’