

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পরও শিক্ষা খাত ঘিরে চলমান আন্দোলন থামছে না। বরং নতুন করে একাধিক দাবি সামনে এনেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সংগঠনটির দাবি, শুধু মন্ত্রীর পদত্যাগেই পরিস্থিতির সমাধান হবে না; প্রশ্নফাঁস, শিক্ষার্থীদের মৃত্যু এবং আন্দোলন দমনে প্রশাসনের ভূমিকারও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেলে ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগের পর এক সংবাদ সম্মেলনে সিজেপির সভাপতি অভিজিৎ দিপকে বলেন, মন্ত্রীর পদত্যাগ একটি পদক্ষেপ হলেও আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত আরও অনেক প্রশ্নের উত্তর এখনো বাকি রয়েছে।
তিনি বলেন, যেসব শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে, তাদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে এক কোটি রুপি করে দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
সিজেপির পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে, গত ২০ জুলাই আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশের অভিযানের ঘটনায় জড়িত সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে ওই দিন থেকে আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মামলা প্রত্যাহারের দাবিও জানিয়েছে সংগঠনটি।
পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে দিল্লি পুলিশ ও র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্সের (আরএএফ) কাছ থেকে প্রকাশ্য ক্ষমা চেয়েছে সিজেপি।
শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া আন্দোলন একপর্যায়ে প্রশ্নফাঁস, বেকারত্ব, সরকারি প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহি ও কর্মসংস্থানের মতো বৃহত্তর বিষয়কে কেন্দ্র করে ছড়িয়ে পড়ে।
গত ২০ জুলাই সংসদ অভিমুখে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে পুলিশ আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দিতে লাঠিচার্জসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়। এতে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন। ওই ঘটনার পর আন্দোলন আরও ব্যাপক আকার ধারণ করে।