

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছাড়ল খেলাফত মজলিস।
শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার ৩য় সাধারণ বৈঠক থেকে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এ বৈঠক হয়।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের যাবতীয় কর্মসূচি থেকে খেলাফত মজলিস বিরত থাকবে। তবে ভবিষ্যতে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার প্রয়োজন হলে বিষয়টি তারা বিবেচনা করবে।
বৈঠক শেষে খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক প্রকৌশলী আব্দুল হাফিজ খসরু স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
এর আগে, গত ১৩ জুন চট্টগ্রামে ১১ দলের বিভাগীয় সমাবেশের পর খেলাফত মজলিস আনুষ্ঠানিকভাবে জোটকে জানিয়ে দেয়, ভবিষ্যতে কোনো সমাবেশের ব্যানার বা প্রচারণায় যেন দলের নাম কিংবা নেতাদের নাম ব্যবহার না করা হয়। পরে রংপুরের একটি সমাবেশে নাম ব্যবহার করা হলে আপত্তির মুখে তা প্রত্যাহার করা হয়। এরপর থেকে জোটের কোনো কর্মসূচিতে খেলাফত মজলিসের নাম ব্যবহার করা হয়নি বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
আমরাও সেই সমঝোতায় ছিলাম। নির্বাচন-পরবর্তী ১১ দলের কিছু কর্মসূচিতেও আমাদের খানিকটা উপস্থিতি ছিল। কিন্তু বেশ কয়েকদিন ধরে আমরা ১১ দলের কোনো কর্মসূচিতে থাকছি না। বর্তমানে সে সমঝোতা নেই, আমরা এটাকে এখন আর কন্টিনিউও করতে চাইছি না। ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
সম্প্রতি কওমি ঘরানার ইসলামি দলগুলোর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর উদ্যোগে কওমি ধারার কয়েকটি ইসলামি দলের নেতাদের বৈঠকের পর থেকেই ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়েছে।
ইতোমধ্যে খেলাফত আন্দোলন ঘোষণা দিয়ে ১১ দলীয় ঐক্য ত্যাগ করেছে। এবার খেলাফত মজলিসও সে পথেই হাঁটল। তবে মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এখনো জামায়াত নেতৃত্বাধীন এই ঐক্যে বহাল আছে।