রবিবার
২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রবিবার
২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর সিজেপির এক লাইনের পোস্ট ভাইরাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৫ পিএম আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
expand
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে আন্দোলনকারী সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) একটি পোস্ট।

শনিবার (২৫ জুলাই) এক্সে (সাবেক টুইটার) প্রকাশিত ওই পোস্টে সংগঠনটি লিখেছে, ‘তেলাপোকারা জিতেছে, গণতন্ত্র জিতেছে।’ খবর এনডিটিভির

এর আগে শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। পদত্যাগের ঘোষণার পরপরই সিজেপির এই সংক্ষিপ্ত বার্তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করে।

এক্সে প্রকাশিত পদত্যাগপত্রে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, গত ১০ দিনের ঘটনাপ্রবাহে তিনি মর্মাহত। দেশের ঐক্য ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি সম্মান জানিয়েই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এর আগে আরেকটি পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ‘শুরু থেকেই আমি এ ঘটনার দায়িত্ব নিয়েছি এবং কখনো পরিস্থিতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিইনি। আমার সংকল্প ছিল, পরীক্ষা মাফিয়ার কারণে কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ যেন নষ্ট না হয় এবং কোনো শিক্ষার্থীর প্রতি যেন অবিচার না হয়।’

নিট (এনইইটি-ইউজি) পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দিল্লির যন্তরমন্তরে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থী ও আন্দোলনকারীরা। এই আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক হিসেবে আলোচনায় আসে ব্যঙ্গধর্মী রাজনৈতিক সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।

পদত্যাগের দিনও যন্তরমন্তরের কাছে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, বিক্ষোভ ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে। এতে কয়েকজন আহত হন। এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং আহতদের প্রতি সংহতি জানিয়ে রোববার মোমবাতি মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সিজেপি।

ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের মে মাসে ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি বিতর্কিত মন্তব্যকে ঘিরে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র আত্মপ্রকাশ। অভিযোগ, তিনি বেকার তরুণদের ‘তেলাপোকা’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। এরপর সেই শব্দটিকেই প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবে গ্রহণ করে সংগঠনটি।

এদিকে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের আগে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী দাবি করেছিলেন, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়া অন্য কোনো সমাধান গ্রহণযোগ্য হবে না। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে নতুন আইন আনার ইঙ্গিত দিয়ে একটি ভিডিও বার্তাও প্রকাশ করেন।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ঘটনাপ্রবাহ: ভারতে জুলাই আন্দোলন