রবিবার
০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রবিবার
০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তেলাপোকা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা কে এই অভিজিৎ দিপকে

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ০৭ জুন ২০২৬, ০৯:৫৫ এএম
ছবি: সংগৃহীত
expand
ছবি: সংগৃহীত

ভারতে হঠাৎ করেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসা ব্যাঙ্গাত্মক রাজনৈতিক দল ‘ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)’ নিয়ে এখন তোড়জোড় শুরু হয়েছে দেশটির জাতীয় রাজনীতিতেও। চলতি বছরের মে মাসের ১৬ তারিখে দলটি প্রতিষ্ঠা করেন অভিজিৎ দিপকে নামের এক ভারতীয়।

এটি মূলত একটি ডিজিটাল স্যাটায়ার বা ব্যঙ্গাত্মক উদ্যোগ, যার সূচনা ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তর একটি বিতর্কিত মন্তব্যকে ঘিরে।

শুরু হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সিজেপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত জনপ্রিয়তা পায় এবং বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে মিলিয়ন মিলিয়ন অনুসারী সংগ্রহ করে। বর্তমানে ইনস্টাগ্রামে তাদের অনুসারীর সংখ্যা ১ কোটি ৯০ লাখেরও বেশি, যা ভারতের যেকোনো রাজনৈতিক দলের তুলনায় বেশি বলে দাবি করা হচ্ছে। এক্সেও তাদের দুই লাখের বেশি অনুসারী ছিল, তবে আইনি জটিলতার কারণে বৃহস্পতিবার থেকে এটি ‘অ্যাক্সেসযোগ্য’ নয়।

কে এই অভিজিৎ দিপক

অভিজিৎ দিপক পুনে থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতক করেছেন এবং বর্তমানে বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ে জনসংযোগ বিষয়ে স্নাতকোত্তর করছেন বলে জানা গেছে। তিনি ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত আম আদমি পার্টির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং দলের সোশ্যাল মিডিয়া টিমে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করেছেন।

নতুন এ দল সিজেপি ওয়েবসাইটে নিজেদের সম্পর্কে বলছে, ‘সিস্টেম যাদের গণনায় রাখে না, তাদের রাজনৈতিক কণ্ঠস্বর’। দলটি নিজেদের ‘অলস ও বেকারদের কণ্ঠ’ বলেও পরিচয় দেয়। সদস্য হওয়ার জন্য শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে—ব্যক্তিক ‘বেকার, অলস এবং সবসময় অনলাইনে অ্যাক্টিভ’ থাকতে হবে এবং ‘ব্যঙ্গ করার দক্ষতা’ থাকতে হবে।

দলের কনটেন্ট মূলত মিম, গ্রাফিক্স, অ্যানিমেশন এবং ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক মন্তব্যের মাধ্যমে তৈরি হয়। এর আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে বেকারত্ব, পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস এবং শিক্ষা ব্যবস্থা।

এই উদ্যোগটি শুরু হওয়ার পেছনে ছিল প্রধান বিচারপতির বিতর্কিত মন্তব্য। ওই মন্তব্যে বিচারপতি শুনানির সময় কিছু তরুণদের প্রসঙ্গে ‘ককরোচ’ শব্দ ব্যবহার করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে তিনি ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, তার মন্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং তিনি মূলত ভুয়া ডিগ্রি নিয়ে পেশায় প্রবেশ করা কিছু ব্যক্তির প্রসঙ্গে কথা বলেছিলেন।

তিনি আরও জানান, গণমাধ্যম তার বক্তব্য ভুলভাবে উদ্ধৃত করেছে এবং তিনি এতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন