

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


হরমুজ প্রণালির কাছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সীমিত সামরিক উত্তেজনা বড় আকার ধারণ না করায় এবং সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা কমে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে বড় ধরনের পতন দেখা গেছে।
শনিবার (৬ জুন) সকালে বিশ্ববাজারে তেলের বেঞ্চমার্কগুলোতে এই নিম্নমুখী প্রবণতা স্পষ্ট হয়। বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন, শুক্রবারের সংঘাতটি বড় কোনো সংকটে রূপ নেয়নি—এই মূল্যায়নই মূলত বাজারে প্রভাব ফেলেছে।
তেলবিষয়ক ওয়েবসাইট অয়েলপ্রাইজ ডটকমের তথ্য অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১.৯৪ ডলার বা ২.০৪ শতাংশ কমে ৯৩.০৯ ডলারে নেমেছে। একইভাবে মার্কিন ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ২.৬ শতাংশের বেশি কমে দাঁড়িয়েছে ৯০.৫৪ ডলার।
এছাড়া মারবান ক্রুডের দাম ৩.০২ শতাংশ কমে ৯০.৬৮ ডলার এবং ওয়েস্টার্ন কানাডিয়ান সিলেক্টের দাম ৩.৫৬ শতাংশ কমে ৮০.৬৯ ডলারে নেমেছে। তেলের পাশাপাশি প্রাকৃতিক গ্যাস ও হিটিং অয়েলের দামও কমেছে, তবে গ্যাসোলিনের দাম সামান্য বেড়েছে।
এর আগে শুক্রবার ভারত মহাসাগরে ইরান-সংশ্লিষ্ট একটি তেলবাহী ট্যাংকার জব্দ এবং চারটি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড। জবাবে ইরানের উপকূলীয় নজরদারি রাডার স্থাপনায় হামলা চালানো হয়। একই সময়ে ‘ঘোস্ট ফ্লিট’-এর অংশ এমটি ডভিনা নামের একটি ট্যাংকারও জব্দ করে যুক্তরাষ্ট্র, যা অবৈধভাবে ইরানি তেল চীনে পাচার করছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে পুরো ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
