

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যার ঘটনায় দুই প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ (রাহুল) ও আলমগীর হোসেনকে ১২ দিনের জেল হেফাজতে পাঠিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের একটি আদালত।
রোববার (২২ মার্চ) ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ড শেষে তাদের ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বিধাননগর মহকুমা আদালতে হাজির করা হয়। আদালত তাদের জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন এবং আগামী ২ এপ্রিল পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন।
তাদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই ফরেনার্স আইনে মামলা ছিল। পরে নতুন করে ‘অবৈধ কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন’ বা ইউএপিএ-এর ১৬ ও ১৮ ধারায় মামলা যুক্ত করা হয়েছে। এসব ধারায় গুরুতর শাস্তির বিধান রয়েছে।
ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) আদালতের কাছে আবেদন জানায়, তারা যেন কারাগারে গিয়ে অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেছে। ফলে তদন্তের প্রয়োজনে জেলেই তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
এদিকে আদালত থেকে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকরা ফয়সালকে হাদি হত্যার বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি খুনের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি এসব কাজের সঙ্গে জড়িত না। এটা জামায়াত-বিএনপির চাল হতে পারে। আপনারা যে এত হাদি হাদি করছেন, বাংলাদেশে যে এত হাদি হাদি হচ্ছে, সে তো আসলে জঙ্গি।’
ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজে তাকে দেখা গেছে উল্লেখ করলে ফয়সাল বলেন, ‘আমাকে গুলি করতে দেখা যায়নি।’ পরক্ষণে তিনি ঘটনাস্থলে থাকার কথাই পুরোপুরি অস্বীকার করেন।
উল্লেখ্য, গত বছর ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টন এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা হেলমেট পরিহিত দুর্বৃত্তরা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হাদিকে গুলি করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে গত ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৯টায় সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
মন্তব্য করুন
