

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


চার ম্যাচে ১৭ গোল। লা লিগায় শুরুটা যে কতটা দুর্দান্ত হয়েছে বার্সেলোনার, পরিসংখ্যানেই তার প্রমাণ। সবশেষ ভ্যালেন্সিয়ার মাঠে গিয়েও গোলের উৎসব করেছে হান্সি ফ্লিকের দল। স্বাগতিকদের ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে লিগে টানা জয়ের ধারা ধরে রাখার পাশাপাশি শীর্ষস্থানও আরও মজবুত করেছে বার্সা।
এদিন বার্সেলোনার হয়ে জোড়া গোল করেছেন লামিন ইয়ামাল। এছাড়া একটি করে গোল করেছেন ফারমিন লোপেজ, রাফিনহা ও পেদ্রি।
ম্যাচের শুরু থেকেই বার্সেলোনার আক্রমণের সামনে দিশেহারা হয়ে পড়ে ভ্যালেন্সিয়া। ষষ্ঠ মিনিটেই ফারমিন লোপেজের পাস থেকে পাওয়া বল নিখুঁত শটে জালে পাঠিয়ে দলকে এগিয়ে দেন ইয়ামাল।
দুই মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণও করে ফেলেছিলেন তিনি। লোপেজের পাস থেকে পাওয়া বল আবারও জালে জড়িয়েছিলেন ইয়ামাল। কিন্তু ভিএআর পর্যালোচনায় অফসাইড ধরা পড়ায় গোলটি বাতিল হয়।
তবে দ্বিতীয় গোলের জন্য খুব বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি বার্সেলোনাকে। ২২ মিনিটে এবার গোল করেন লোপেজ নিজেই। ভ্যালেন্সিয়ার রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ নিয়ে ডি-বক্সের ভেতর থেকে বাঁ পায়ের শটে বল জালে পাঠান এই মিডফিল্ডার। চলতি লিগে এটি তার চতুর্থ গোল।
বার্সেলোনার আক্রমণ সামলাতে ভ্যালেন্সিয়ার গোলরক্ষক স্তোলে দিমিত্রিয়েভস্কিকে কয়েকবার কঠিন পরীক্ষা দিতে হয়েছে। ২৪ মিনিটে ইয়ামালের বাঁকানো শট অসাধারণ দক্ষতায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে পাঠিয়ে দেন তিনি। আরও একটি সুযোগ নষ্ট করে প্রথমার্ধে ২-০ ব্যবধানেই সন্তুষ্ট থাকতে হয় বার্সেলোনাকে।
বিরতির পর অবশ্য গোলের ক্ষুধা আরও বেড়ে যায় কাতালানদের। ৫৩ মিনিটের দিকে লোপেজের বাড়ানো বল থেকে আলতো স্পর্শে গোল করেন রাফিনহা। এই গোলের মাধ্যমে চলতি মৌসুমে লিগের প্রথম চার ম্যাচে ছয়টি গোলে সরাসরি অবদান রাখার কীর্তি গড়েন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। একুশ শতকে বার্সেলোনার হয়ে লিওনেল মেসির পর এই কীর্তি গড়া দ্বিতীয় খেলোয়াড় তিনি।
তিন গোলের পরও থামেনি বার্সেলোনা। ৭৯ মিনিটে দানি ওলমোর পাস থেকে চমৎকার ফিনিশিংয়ে চতুর্থ গোল করেন পেদ্রি।
শেষ বাঁশির অপেক্ষাটাও যেন এরপর কেবল আনুষ্ঠানিকতা। ৮৪ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে বার্সেলোনার ৫-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন ইয়ামাল।


