

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


অস্ট্রেলিয়ায় হতাশাজনক পারফরম্যান্সের মধ্য দিয়ে এএফসি নারী এশিয়ান কাপ থেকে বিদায় নিয়েছে বাংলাদশে। চীন ও উত্তর কোরিয়ার পর সবশেষ ম্যাচে উজবেকিস্তানের বিপক্ষেও ৪-০ গোলের বড় হার দেখতে হয়েছে পিটার বাটলারের শিষ্যদের।
এমন হারের পর দলের সামগ্রিক অবস্থা ও প্রস্তুতি নিয়ে তীব্র হতাশা প্রকাশ করেছেন প্রধান কোচ পিটার বাটলার। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, শিগগিরই নারী ফুটবল দলের দায়িত্ব ছেড়ে দিতে পারেন।
ম্যাচ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে ৫৯ বছর বয়সী এই ইংলিশ কোচ বলেন, আপাতত তিনি দলের সঙ্গে থাকছেন না এবং আগামী সপ্তাহে ইংল্যান্ডে ফিরে যাবেন। সেখানে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান তিনি।
তার ভাষ্য, ‘প্রত্যাশা অনুযায়ী সহায়তা ও সমর্থন না পেলে দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। আমি কোনো জাদুকর নই।’
নিজের পেশাদার অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গ টেনে বাটলার জানান, কোচিং ক্যারিয়ারে তিনি দীর্ঘ সময় কাজ করেছেন এবং নানা পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাই নিজের কাজ নিয়ে আলাদা করে জবাবদিহি করার প্রয়োজন আছে বলে তিনি মনে করেন না। বর্তমানে তিনি নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবার সময় এসেছে বলেও উল্লেখ করেন।
বাটলারের হতাশার বড় কারণ হিসেবে উঠে এসেছে লজিস্টিক সহায়তার ঘাটতি ও পেশাদার অবকাঠামোর অভাব। বড় দলগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সুবিধা–অসুবিধার পার্থক্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভিডিও বিশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও ক্যামেরা পর্যন্ত অনেক সময় পর্যাপ্ত থাকে না। তার মতে, এমন পরিস্থিতিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা অনেকটা এমন যেন একজন বক্সার এক হাত পিছনে বেঁধে রেখে লড়াই করছে।
উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে তিনি বলেন, দ্বিতীয়ার্ধে দলের রক্ষণভাগ ভেঙে পড়ে এবং কয়েকজন খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স তাকে হতাশ করেছে। তার মতে, মনে হয়েছে এক বা দুইজন খেলোয়াড় যেন লড়াইয়ের মনোভাব হারিয়ে ফেলেছিল।
সবশেষে বাটলার বলেন, বাস্তবতা হলো এই পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় লড়াই করার মতো অবস্থায় বাংলাদেশ এখনো পুরোপুরি পৌঁছাতে পারেনি।
মন্তব্য করুন
