

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মঞ্চে দাপুটে পারফরম্যান্সে ফিরেছে রিয়াল মাদ্রিদ। মঙ্গলবার রাতে মোনাকোর বিপক্ষে ৬–১ গোলের বড় জয় পায় স্প্যানিশ জায়ান্টরা। সাবেক ক্লাবের বিপক্ষে জোড়া গোল করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে, আর দুর্দান্ত এক গোল করে নিজের সামর্থ্যের ঝলক দেখান ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। এই জয়ে দলের ভেতরের চাপ অনেকটাই লাঘব হয়েছে।
আগের ম্যাচে নিজ মাঠে দর্শকদের অসন্তোষের মুখে পড়েছিলেন ভিনিসিয়ুস। তবে এদিন সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। আক্রমণে ধারালো উপস্থিতির পাশাপাশি একটি নান্দনিক গোল করে সমালোচনার জবাব দেন তিনি। এই জয়ের ফলে লিগ পর্বে শীর্ষ আটে থাকার লড়াইয়ে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করল রিয়াল।
নতুন কোচ আলভারো আরবেলোয়ার অধীনে এটি রিয়ালের টানা দ্বিতীয় জয়। জাবি আলোনসোর স্থলাভিষিক্ত হওয়ার পর থেকেই দলকে আক্রমণাত্মক ও গতিময় ফুটবলে খেলাচ্ছেন আরবেলোয়া, যার ছাপ স্পষ্ট ছিল এই ম্যাচে।
রিয়ালের হয়ে গোলের খাতায় নাম লেখান জুড বেলিংহাম ও ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনো। ভিনিসিয়ুসের দেওয়া ক্রস থেকে আত্মঘাতী গোল করেন মোনাকোর ডিফেন্ডার থিলো কেরার। সামগ্রিকভাবে এটি ছিল চলতি মৌসুমে রিয়ালের অন্যতম সেরা পারফরম্যান্স।
এমবাপ্পে নিজের দুর্দান্ত ফর্ম ধরে রেখেছেন। কঠিন সময়েও দলের ভরসা হয়ে গোল করে যাচ্ছেন ফরাসি তারকা। এই ম্যাচে দুটি গোল করে ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় নিজের গোলসংখ্যা বাড়িয়ে নেন ১১-এ।
ম্যাচের শুরুতেই, পঞ্চম মিনিটে প্রথম গোল করেন এমবাপ্পে। বক্সের ভেতর থেকে নিখুঁত শটে জাল খুঁজে নেওয়ার পর সাবেক ক্লাবের সমর্থকদের দিকে তাকিয়ে সম্মানসূচক ক্ষমা প্রার্থনাও করেন তিনি। দ্রুত পাল্টা আক্রমণ থেকে দ্বিতীয় গোলটিও আসে তার পা থেকেই।
মোনাকো মাঝেমধ্যে লড়াইয়ে ফেরার চেষ্টা করলেও সফল হতে পারেনি। জর্ডান তেজের একটি শট ক্রসবারে লাগে, আর কয়েকটি নিশ্চিত সুযোগ রুখে দেন রিয়াল গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া।
বিরতির পর রিয়াল আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। ভিনিসিয়ুসের তৈরি করা সুযোগ কাজে লাগিয়ে মাস্তানতুয়োনো করেন তৃতীয় গোল। ৫৫ মিনিটে স্কোরলাইন ৪–০ হয় কেরারের আত্মঘাতী গোলে। এরপর নিজেই পঞ্চম গোলটি করেন ভিনিসিয়ুস। গোলের পর কোচ আরবেলোয়ার সঙ্গে তার উচ্ছ্বাসভরা উদযাপন চোখে পড়ে।
মোনাকোর হয়ে তেজে একটি গোল শোধ দিলেও শেষ কথা বলে রিয়ালই। ম্যাচের ৮০ মিনিটে গোলরক্ষককে কাটিয়ে ষষ্ঠ গোলটি করেন জুড বেলিংহাম। বড় এই জয়ে আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে লস ব্লাঙ্কোসরা।
মন্তব্য করুন

