

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ইতিহাদে অলৌকিক কিছু ঘটানোর আশায় নেমেছিল ম্যানচেস্টার সিটি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা আর হয়নি। বরং দুই লেগ মিলিয়ে দাপুটে জয় নিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেছে রিয়াল মাদ্রিদ।
সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে প্রথম লেগে ৩-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকার পর ফিরতি লেগে ঘুরে দাঁড়াতে ইতিহাস গড়তে হতো সিটিকে। তবে ইতিহাদে ১০ জন নিয়ে লড়াই করেও ২-১ গোলে হেরে শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিতে হয় পেপ গার্দিওলার দলকে। দুই লেগ মিলিয়ে ৫-১ ব্যবধানে জয় পায় রিয়াল।
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে লড়াই। প্রথম মিনিটেই ফেদে ভালভের্দে গোলের সুযোগ নষ্ট করেন। এরপর সিটির রায়ান চেরকি ও রদ্রির শট ঠেকিয়ে দেন রিয়ালের গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া।
১৭ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র-এর শট পোস্টে লাগার পর বিপদ বাড়ে সিটির। পরের আক্রমণে নিশ্চিত গোল ঠেকাতে গিয়ে হ্যান্ডবল করে লাল কার্ড দেখেন সিটি অধিনায়ক বার্নার্দো সিলভা। এতে ২০ মিনিটে ১০ জনের দলে পরিণত হয় সিটি এবং পেনাল্টি পায় রিয়াল।
২২ মিনিটে সেই স্পটকিক থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে নেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। প্রথম লেগে পেনাল্টি মিসের হতাশা কাটিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে দলকে এগিয়ে দেন তিনি।
তবে ১০ জন নিয়েও হাল ছাড়েনি সিটি। ৪১ মিনিটে জটলার মধ্যে থেকে গোল করে দলকে সমতা ফেরান এরলিং হলান্ড। প্রথমার্ধ ১-১ সমতায় শেষ হলেও সামগ্রিক স্কোরে তখনও পিছিয়েই ছিল স্বাগতিকরা।
বিরতির পর ম্যাচে নাটকীয়তা আরও বাড়ে। অফসাইডের কারণে সিটির জেরেমি ডকু ও রদ্রির দুটি গোল বাতিল হয়। অন্যদিকে রিয়ালের একটি গোলও ভিএআরে বাতিল হয়।
তবে শেষ পর্যন্ত যোগ করা সময়ে ম্যাচের নিষ্পত্তি হয়। ৯৩ মিনিটে অঁরেলিয়ে চুয়ামেনির পাস থেকে বক্সে ঢুকে সিটির কফিনের শেষ প্যারেকটি ঠুকেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।
মন্তব্য করুন
