

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


চলতি বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বেশকিছু ম্যাচে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। তবে সবচেয়ে আলোচিত হলো মিশর ম্যাচ, যেখানে দুর্দান্ত কামব্যাকে জয় পেয়েছিল মেসিরা।
কিন্তু রেফারির কিছু বিতর্কিত সিদ্ধান্তের জেরে আর্জেন্টিনাকে কমিটির টিম হিসেবে আখ্যা দেয় মিশরের সমর্থকরা।
এবার সেই ঘটনার জেরে আইনি লড়াইয়ে নামতে চলেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (আফা)।
টুর্নামেন্ট চলাকালীন লিওনেল মেসি ও পুরো আর্জেন্টিনা দলের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত সাইবার আক্রমণ, ভিত্তিহীন অভিযোগ এবং ভুয়া খবর (ফেক নিউজ) ছড়ানোর অভিযোগে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম ও ব্যবহারকারীর বিরুদ্ধে কড়া মানহানির মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে সংস্থাটি।
আর্জেন্টিনার শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম লা নাসিওন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বকাপ ফুটবল চলাকালে ও পরবর্তী সময়ে মেসিদের কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্ক ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে একটি বিশেষ আইনজীবী দল গঠন করেছে এএফএ।
মূলত রাউন্ড অব সিক্সটিনে মিসরকে ৩-২ ব্যবধানে হারানোর পর প্রতিপক্ষ দলের কোচ ও খেলোয়াড়েরা প্রকাশ্যে ফিফার বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনাকে বাড়তি সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ তুললে এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়।
যদিও ফিফার রেফারিং বিভাগের প্রধান পিয়েরলুইজি কোলিনা এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অনভিপ্রেত বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন।
পরবর্তীতে ফাইনাল ম্যাচ শেষে স্প্যানিশ খেলোয়াড়দের সঙ্গে লেয়ান্দ্রো পারেদেসের উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতি এবং লিসান্দ্রো মার্তিনেজসহ বেশ কয়েকজন আর্জেন্টাইন তারকা খেলোয়াড়ের আচরণ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়।
ফাইনালের পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে কৃত্রিমভাবে বিকৃত (এডিটেড) ছবি, বিতর্কিত ভিডিও ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে আর্জেন্টিনা দল ও অধিনায়ক লিওনেল মেসির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ তুলেছে এএফএ।
বর্তমানে এএফএ-র আইনজীবী দল ইনস্টাগ্রাম, এক্স (সাবেক টুইটার) এবং টিকটকের মতো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো স্ক্যান করে ভুয়ো পোস্ট, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার প্রমাণ সংগ্রহের কাজ চালাচ্ছে।
সংস্থাটির পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কেবল বিভ্রান্তিকর তথ্য তৈরি করা মূল কারিগররাই নন, বরং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব সাধারণ ব্যবহারকারী এসব ফেক নিউজ ও বিভ্রান্তিকর পোস্ট শেয়ার করে ছড়িয়ে দিয়েছেন, তাদের চিহ্নিত করেও আইনি ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে।
