মঙ্গলবার
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অবশেষে কার্গো থেকে সরানো হলো আলোচিত মঈনউদ্দীন লোটাসকে 

এনপিবি প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
expand

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো সেক্টরে চাঁদাবাজি, ‘রোস্টার বাণিজ্য’, পণ্য খালাসে অনিয়মসহ নানা অভিযোগে আলোচিত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. মঈনউদ্দীন লোটাসকে অবশেষে কার্গো বিভাগ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তাকে কার্গো থেকে বদলি করে মতিঝিলের জেলা বিক্রয় কার্যালয়ে (ডিএসও) পদায়ন করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রশাসন শাখা থেকে জারি করা আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

আদেশে মঈনউদ্দীন লোটাসকে সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্যিক) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তার বর্তমান কর্মস্থল ছিল হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো বিভাগ। নতুন কর্মস্থল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে কমার্শিয়াল, ডিএসও, মতিঝিল, ঢাকা। ৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে বলা হয়েছে।

বিমানবন্দরের কার্গো সেক্টরে অনিয়ম নিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন ও গোয়েন্দা সংস্থার একটি তদন্ত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে মঈনউদ্দীন লোটাসসহ কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগের কথা উঠে এসেছে।

প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়, বিমানবন্দরের আমদানি কার্গো সেকশনে নির্দিষ্ট স্থানে ডিউটি পাওয়ার জন্য কিছু হেলপারের কাছ থেকে মাসিক ভিত্তিতে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, মাথাপিছু ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত নিয়ে পছন্দের জায়গায় ডিউটি বা রোস্টারে নাম অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ দেওয়া হতো। কথিত এই ‘রোস্টার বাণিজ্য’ থেকে সংশ্লিষ্টদের মাসে কয়েক লাখ টাকা পর্যন্ত অবৈধ আয়ের অভিযোগও তদন্ত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, অর্থের বিনিময়ে একই ব্যক্তি বা নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে বারবার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দায়িত্ব দেওয়ার ফলে কার্গো এলাকায় একটি প্রভাবশালী চক্র গড়ে ওঠে। এর মাধ্যমে পণ্য চুরি, কাগজপত্রে অনিয়ম এবং যথাযথ শুল্কায়ন এড়িয়ে পণ্য বের করে নেওয়ার মতো ঝুঁকি তৈরি হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।

এসব অভিযোগের পর কার্গো ব্যবস্থাপনায় রোস্টার অটোমেশন চালুর বিষয়টিও সামনে আসে। গোয়েন্দা প্রতিবেদনে দ্রুত রোস্টার অটোমেশন কার্যকর করা, দীর্ঘদিন একই জায়গায় দায়িত্ব পালন করা এবং অনিয়মের অভিযোগ থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অন্যত্র বদলি করার সুপারিশ করা হয়েছিল বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছিল।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
X
City bank
City bank