

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ফিফা বিশ্বকাপে ব্যক্তিগত অর্জনের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতিগুলোর একটি হলো গোল্ডেন বুট। টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ গোলদাতাকে দেওয়া হয় এই পুরস্কার। তবে একাধিক ফুটবলার সমান সংখ্যক গোল করলে কীভাবে বিজয়ী নির্ধারণ করা হয়-এ নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ থাকে সবসময়।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, শুধু সমান সংখ্যক গোল করলেই গোল্ডেন বুট যৌথভাবে দেওয়া হয় না। এ ক্ষেত্রে নির্ধারিত দুটি টাইব্রেকার প্রয়োগ করা হয়।
প্রথমে বিবেচনায় নেওয়া হয় অ্যাসিস্টের সংখ্যা। সমান গোল করা খেলোয়াড়দের মধ্যে যিনি বেশি অ্যাসিস্ট করেছেন, তিনি এগিয়ে থাকবেন। অ্যাসিস্টের আনুষ্ঠানিক হিসাব নির্ধারণ করে ফিফার টেকনিক্যাল স্টাডি গ্রুপ।
গোল ও অ্যাসিস্ট-উভয় ক্ষেত্রেই সমতা থাকলে দ্বিতীয় টাইব্রেকার হিসেবে দেখা হয়, কে কম সময় মাঠে থেকে সেই গোলসংখ্যায় পৌঁছেছেন। অর্থাৎ কম মিনিট খেলে সমান গোল করা ফুটবলারই গোল্ডেন বুট জয়ের দাবিদার হবেন।
এই দুটি মানদণ্ডেও যদি পার্থক্য নির্ধারণ করা সম্ভব না হয়, তখনই কেবল গোল্ডেন বুট যৌথভাবে প্রদান করা হয়।
১৯৮২ সালে ‘গোল্ডেন শু’ নামে এই পুরস্কার চালু হয়। পরে ২০১০ সালে এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘গোল্ডেন বুট’। বিশ্বকাপের ইতিহাসে রোনালদো নাজারিও, মিরোস্লাভ ক্লোসা, হামেস রদ্রিগেজ, থমাস মুলার, হ্যারি কেইন এবং কিলিয়ান এমবাপ্পের মতো তারকারা এই সম্মান অর্জন করেছেন।
এ পর্যন্ত বিশ্বকাপের ইতিহাসে মাত্র একবার গোল্ডেন বুট যৌথভাবে দেওয়া হয়েছে। ১৯৯৪ সালের যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে রাশিয়ার ওলেগ সালেঙ্কো ও বুলগেরিয়ার হ্রিস্টো স্তইচকভ-দুজনই ৬ গোল ও ১ অ্যাসিস্ট করে সমান অবস্থানে থাকায় যৌথভাবে এই পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
২০২৬ বিশ্বকাপেও গোল্ডেন বুটের লড়াই জমে উঠেছে। ফাইনালের আগে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে থাকা ফুটবলারদের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি অ্যাসিস্ট ও মাঠে কাটানো সময়ও শেষ পর্যন্ত এই মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কারের ভাগ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
