

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে রেকর্ড পরিমাণ প্রাইজমানি ঘোষণা করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। শিরোপাজয়ী ও রানার্সআপ দলই নয়, টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া প্রতিটি দলই পাচ্ছে উল্লেখযোগ্য অঙ্কের অর্থ।
সব মিলিয়ে এবারের বিশ্বকাপের প্রাইজমানির পরিমাণ ৬৫৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮ হাজার ৮১ কোটি টাকা।
আগামী ১৯ জুলাই দিবাগত রাতে আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফাইনালের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে ২০২৬ বিশ্বকাপের। ট্রফি জয়ের পাশাপাশি চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ৫ কোটি (৫০ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার প্রাইজমানি। রানার্সআপ দলের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ কোটি ৩০ লাখ (৩৩ মিলিয়ন) ডলার।
তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দল পাবে ২ কোটি ৯০ লাখ (২৯ মিলিয়ন) ডলার এবং চতুর্থ স্থান অধিকারী দল পাবে ২ কোটি ৭০ লাখ (২৭ মিলিয়ন) ডলার।
কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়া চার দল-মরক্কো, বেলজিয়াম, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড প্রত্যেকে পাবে ১ কোটি ৯০ লাখ (১৯ মিলিয়ন) ডলার করে। শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেওয়া আটটি দল পাবে ১ কোটি ৫০ লাখ (১৫ মিলিয়ন) ডলার করে।
রাউন্ড অব ৩২ থেকে বিদায় নেওয়া ১৬টি দলের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ কোটি ১০ লাখ (১১ মিলিয়ন) ডলার করে। আর গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেওয়া দলগুলো পাবে ৯০ লাখ (৯ মিলিয়ন) ডলার করে।
এ ছাড়া বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জনকারী প্রতিটি দলকে টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই প্রস্তুতি ও অন্যান্য ব্যয় নির্বাহের জন্য ১ কোটি ২৫ লাখ (১২.৫ মিলিয়ন) ডলার করে দেওয়া হয়েছে।
ফিফা জানিয়েছে, এই অর্থ সরাসরি খেলোয়াড়দের নয়, বরং সংশ্লিষ্ট দেশের ফুটবল ফেডারেশন বা অ্যাসোসিয়েশনের কাছে দেওয়া হয়। পরে ফেডারেশনগুলো নিজেদের নীতিমালা অনুযায়ী খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে অর্থ বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেয়।
ফিফার ধারণা, ৪৮ দলের এই বিশ্বকাপ থেকে সংস্থাটির মোট আয় ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি হবে। সেই আয়ের প্রায় সাড়ে ছয় শতাংশ প্রাইজমানি হিসেবে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্যে বিতরণ করা হবে, যা বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
