

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


২০২৬ বিশ্বকাপের সবচেয়ে বয়স্ক খেলোয়াড় হিসেবে স্কটল্যান্ড দলে জায়গা পেয়েছিলেন ক্রেগ গর্ডন। দলের বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হওয়ার পর এবার পেশাদার ফুটবলকেও বিদায় জানালেন ৪৩ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক। তার অবসরের মধ্য দিয়ে শেষ হলো দীর্ঘ ২৫ বছরের ক্যারিয়ার।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় অবসরের ঘোষণা দেন গর্ডন। সেখানে স্কটল্যান্ড, ক্লাব ও সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
গর্ডন বলেন, ‘কখনোই চাইনি এটি শেষ হোক। কিন্তু একসময় শেষ তো হতেই হয়।’ ফুটবলে নিজের স্বপ্নগুলো পূরণ করতে পারায় নিজেকে ভাগ্যবান বলেও উল্লেখ করেন স্কটিশ গোলরক্ষক।
ক্রেগ গর্ডন ছিলেন এবারের বিশ্বকাপে নিবন্ধিত এক হাজার ২৫০ জনের বেশি ফুটবলারের মধ্যে সবচেয়ে বয়সী। তবে টুর্নামেন্টে মাঠে নামার সুযোগ হয়নি তার। স্কটল্যান্ডের তিনটি গ্রুপ ম্যাচেই অ্যাঙ্গাস গানের বিকল্প হিসেবে বেঞ্চে ছিলেন তিনি। মাঠে নামা খেলোয়াড়দের মধ্যে সবচেয়ে বয়সী ছিলেন ফেব্রুয়ারিতে ৪১ বছরে পা দেওয়া পর্তুগাল অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।
হার্ট অব মিডলোথিয়ানের বয়সভিত্তিক দল থেকে উঠে আসা গর্ডনের পেশাদার ক্যারিয়ার শুরু হয় ২০০১ সালে। কাউডেনবিথে ধারে খেলতে গিয়ে সিনিয়র ফুটবলে অভিষেক হয় তার। পরের মৌসুমেই হার্টসের মূল দলে জায়গা করে নেন।
২০০৭ সালে প্রায় ৯০ লাখ পাউন্ডে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব সান্ডারল্যান্ডে যোগ দেন গর্ডন। তখন কোনো গোলরক্ষকের জন্য সেটি ছিল ব্রিটিশ রেকর্ড ট্রান্সফার ফি। তবে একাধিক চোটের কারণে ইংল্যান্ডে নিজের সামর্থ্যের পুরোটা দেখাতে পারেননি। পাঁচ বছরে সান্ডারল্যান্ডের হয়ে খেলেছিলেন ৯৫ ম্যাচ।
দীর্ঘ চোট কাটিয়ে ২০১৪ সালে সেল্টিকে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার পুনরুজ্জীবিত করেন গর্ডন। গ্লাসগোর ক্লাবটির হয়ে ছয় বছরে পাঁচটি স্কটিশ প্রিমিয়ারশিপ, দুটি স্কটিশ কাপ ও পাঁচটি লিগ কাপ জেতেন। ২০২০ সালে শৈশবের ক্লাব হার্টসে ফিরে সেখানেই ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায় কাটান।
ক্লাব ফুটবলে হার্টস, কাউডেনবিথ, সান্ডারল্যান্ড ও সেল্টিকের হয়ে মোট ৬৮২ ম্যাচ খেলেছেন গর্ডন। স্কটল্যান্ডের হয়ে ২০০৪ সালে অভিষেকের পর খেলেছেন ৮৪ ম্যাচ। দেশের ইতিহাসে পঞ্চম সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা ফুটবলার তিনি।
তবে গর্ডন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক সক্রিয় পেশাদার ফুটবলার ছিলেন না। সেই স্বীকৃতি এখনো জাপানের কাজুইয়োশি মিউরার। ৫৯ বছর বয়সী মিউরা ফুকুশিমা ইউনাইটেডের সঙ্গে ধারের চুক্তি ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত বাড়িয়েছেন। পেশাদার ক্যারিয়ারের ৪২তম মৌসুমেও খেলা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
