

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


এক পর্যায়ে এক গোলে এগিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা। পরে সমতায় ফেরে সুইজারল্যান্ড। এরপর ব্রিল এম্বোলো লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ায় ১০ জনের দলে পরিণত হলেও সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি আলবিসেলেস্তারা। নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে ১-১ সমতায় থাকায় বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল গড়িয়েছে অতিরিক্ত সময়ে।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে আর্জেন্টিনা। এরই ধারাবাহিকতায় ১০ মিনিটে এগিয়ে যায় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
লিওনেল মেসির নেওয়া কর্নার থেকে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার দারুণ এক হেডে বল জালে জড়িয়ে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
গোল হজমের পরও দমে যায়নি সুইজারল্যান্ড। পাল্টা আক্রমণে কয়েকবার আর্জেন্টিনার রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করলেও শেষ মুহূর্তের ফিনিশিংয়ে ব্যর্থ হওয়ায় প্রথমার্ধে আর গোলের দেখা পায়নি তারা। ফলে ১-০ ব্যবধানের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা।
দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে সুইসরা। ম্যাচের ৬৭ মিনিটে রিকার্দো রদ্রিগেজের পাস থেকে ড্যান এনদোয়ে দুর্দান্ত ফিনিশে সমতা ফেরান।
সমতায় ফেরার পাঁচ মিনিট পর বড় ধাক্কা খায় সুইজারল্যান্ড। ভিএআরে ফাউলের অভিনয় ধরা পড়ায় দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ফরোয়ার্ড ব্রিল এম্বোলো। ফলে ৭২ মিনিট থেকে ১০ জন নিয়েই খেলতে হয় সুইসদের।
একজন বেশি নিয়ে খেললেও শেষ পর্যন্ত জয়সূচক গোল আদায় করতে পারেনি আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে সংখ্যাগতভাবে পিছিয়ে থেকেও সুইজারল্যান্ড শৃঙ্খলাবদ্ধ রক্ষণে প্রতিপক্ষকে আটকে রাখে।
ফলে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ১-১ সমতা বজায় থাকায় ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণের জন্য খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।

