

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


টানা কয়েক দিনের ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। ইতোমধ্যে সাত জেলায় বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এ অবস্থায় আরও ১০ জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড।
শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা, সারিগোয়াইন, যাদুকাটা, সোমেশ্বরী এবং ভুগাই-কংস নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে। এর প্রভাবে সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে।
এছাড়া উত্তরাঞ্চলের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি বাড়তে থাকায় নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলেও আগামী ২৪ ঘণ্টায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে চট্টগ্রাম, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার সাঙ্গু, মাতামুহুরী ইত্যাদি নদীর পানি সমতল আগামী ২৪ ঘণ্টায় ধীরগতিতে হ্রাস পেতে পারে এবং নদী-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলগুলোয় বন্যা পরিস্থিতির ধীরগতিতে উন্নতি হতে পারে। এছাড়া মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার মনু, ধলাই, খোয়াই ইত্যাদি নদীর পানি সমতল আগামী ২৪ ঘণ্টায় ধীরগতিতে হ্রাস পেতে পারে এবং নদী-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলগুলোয় বন্যা পরিস্থিতির ধীরগতিতে উন্নতি হতে পারে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, বর্তমানে চট্টগ্রাম, বান্দরবান, কক্সবাজার, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলা বন্যাকবলিত রয়েছে। এছাড়া ফেনী, খাগড়াছড়ি, সিলেট, নেত্রকোণা, শেরপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলা বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে।
