

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


আরলিং হালান্ড কে - প্রশ্নে তাকে চিনতে ফুটবলপ্রেমী হওয়া লাগবে না। যে কেউই বলবেন নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার তিনি। ফুটবলপ্রেমীরা আরেকটু বাড়তি বলতে পারেন - ম্যানচেস্টার সিটির গোলমেশিন আরলিং হালান্ড। ম্যানসিটির জার্সিতে তার পিঠে শুধু ‘Haaland’ লেখা দেখা যায়।
তবে ২০২৬ বিশ্বকাপে নরওয়ের হয়ে মাঠে নেমে সবাইকে চমকে দেন নরওয়ের এই তারকা স্ট্রাইকার। তার জার্সিতে এবার লেখা ছিল ‘Braut Haaland’ (ব্রাউট হালান্ড)। আরলিং কীভাবে ব্রাউট হয়ে গেল? কেন হঠাৎ জার্সিতে নতুন নাম? ব্রাউট নামটির নেপথ্যে কে? - এসব প্রশ্ন এখন হালান্ডভক্তদের।
জানা গেছে, হালান্ডের এই নতুন নামের পেছনে রয়েছে এক আবেগঘন পারিবারিক গল্প।
বিশ্বকাপে জার্সিতে ‘Braut Haaland’ লেখার সিদ্ধান্ত ছিল নিজের পূর্ণ পরিচয় তুলে ধরার পাশাপাশি পরিবারের প্রতি সম্মান জানানোর একটি বিশেষ উদ্যোগ।
‘হালান্ড’ পদবিটি এ তারকা খেলোয়াড় পেয়েছেন তার বাবা আলফ-ইঙ্গে হালান্ডের কাছ থেকে। আলফ-ইঙ্গে নিজেও একজন সাবেক পেশাদার ফুটবলার। অন্যদিকে ‘ব্রাউট’ এসেছে তার মা গ্রি মারিতা ব্রাউটের পরিবার থেকে। গ্রি মারিতা ছিলেন নরওয়ের একজন সফল অ্যাথলেট।
অর্থাৎ বুঝতে বাকি নেই- জার্সিতে ‘Braut’ যুক্ত করার মাধ্যমে মূলত মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতাই প্রকাশ করেছেন হালান্ড।
বিশ্বকাপে নরওয়ের প্রত্যাবর্তনও এবার স্মরণীয় হয়ে উঠেছে। ২৮ বছর পর ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে ফিরে দলটির সবচেয়ে বড় ভরসা হয়ে উঠেছেন আরলিং হালান্ড। ইতোমধ্যেই তিনি পাঁচটি গোল করে টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা গোলদাতাদের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন।
তবে শুধু গোলসংখ্যাই নয়, ম্যাচে তার প্রভাবও আলাদা করে চোখে পড়ছে। আইভরি কোস্টের বিপক্ষে ম্যাচে দীর্ঘ সময় প্রায় অদৃশ্য ছিলেন হালান্ড; কিন্তু ম্যাচের ৮৬তম মিনিটে প্যাট্রিক বার্গের ক্রস থেকে এক ছোঁয়ায় বল জালে পাঠিয়ে নরওয়েকে মূল্যবান জয় এনে দেন তিনি।
রোববার রাতে ব্রাজিলের বিপক্ষের ম্যাচেও হালান্ড দুর্দান্ত খেলেছেন। তার জোড়া গোলেই থেমে গেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হেক্সা মিশন। অনেকেই এখন বলতে পারেন - মায়ের আর্শীবাদেই বিশ্বকাপের মাঠে উড়ছেন হালান্ড।

