

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


লিডসে পাকিস্তানকে দাঁড়াতেই দিল না ইংল্যান্ড। তৃতীয় দিন চা-বিরতির আগেই পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংস ১৩৫ রানে গুটিয়ে দিয়ে ইনিংস ও ১০৩ রানের বড় জয় তুলে নিয়েছে স্বাগতিকরা।
প্রথম ইনিংসে পাকিস্তানকে মাত্র ১৭১ রানে অলআউট করেছিল ইংল্যান্ড। জবাবে দুই উইকেট হাতে রেখে তৃতীয় দিন ৩৬৬ রান নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে স্বাগতিকেরা। শেষ পর্যন্ত ৪০৯ রানে থামে ইংল্যান্ডের ইনিংস। এতে প্রথম ইনিংসেই ২৩৮ রানের বিশাল লিড পায় তারা।
ইংল্যান্ডের বড় সংগ্রহে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন হ্যারি ব্রুক, জর্ডান কক্স, জো রুট ও ড্যান লরেন্স। ব্রুক ৯১, কক্স ৭৩, রুট ৬৬ এবং লরেন্স করেন ৫১ রান। তবে মাত্র ৯ রানের জন্য সেঞ্চুরি বঞ্চিত হন ব্রুক। দুই বছরের মধ্যে টেস্টে নব্বইয়ের ঘরে এটি তার দ্বিতীয় আউট। এর আগে ২০২৫ সালে হেডিংলিতে ভারতের বিপক্ষে ৯৯ রানে থেমেছিলেন তিনি।
ইংল্যান্ডের ইনিংস শেষ হওয়ার পর পাকিস্তানের সামনে ছিল ম্যাচ বাঁচানোর কঠিন চ্যালেঞ্জ। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসেও শুরু থেকেই চাপে পড়ে তারা। লাঞ্চের আগেই ৫১ রানের মধ্যে তিন উইকেট হারায় পাকিস্তান।
ইমাম-উল-হক দ্বিতীয় ওভারে ৫ বল খেলে কোনো রান না করেই ফেরেন। এরপর আজান আওয়াইজ ৯ রানে জোফরা আর্চারের বলে আউট হন। আবদুল্লাহ শফিকও ১৫ রানের বেশি করতে পারেননি; তাকে ফেরান রবিনসন।
লাঞ্চে যাওয়ার সময় পাকিস্তানের স্কোর ছিল ৩ উইকেটে ৫৯। ইনিংস হার এড়াতে তখনও তাদের প্রয়োজন ছিল বড় জুটি। কিন্তু ম্যাচের পরিস্থিতি বলছিল, লিডসে ইংল্যান্ডের জয় তখন কেবল সময়ের অপেক্ষা।
এর আগে ইংল্যান্ডের ইনিংসে জোফরা আর্চার ও জশ টাং ব্যাট হাতে কার্যকর অবদান রাখেন। আর্চার খুররাম শাহজাদকে ছক্কা মারেন, আর টাংও দারুণ কিছু শট খেলেন। জেমি স্মিথ করেন ২৫ রান। পাকিস্তানের হয়ে আলী উসমান ৫ উইকেট এবং খুররাম শাহজাদ নেন ৩ উইকেট।
শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংস দ্রুত গুটিয়ে দিয়ে সিরিজের প্রথম টেস্টেই বড় জয় নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড।


