

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু ও গুজরাট টাইটান্সের ম্যাচের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ১৯তম আসর। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এ আসরের ফাইনালে গুজরাটকে ৫ উইকেটে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় শিরোপা জিতে নিয়েছে ব্যাঙ্গালুরু।
ফাইনালে ৭৫ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা হয়েছেন বেঙ্গালুরুর বিরাট কোহলি। ৪২ বলের ইনিংসটিকে তিনি সাজিয়েছেন ৯টি চার ও ৩টি ছয়ের মারে।
এবারের আইপিএলে সেরা বোলারের পুরস্কার গেছে গুজরাটের প্রোটিয়া পেসার কাগিসো রাবাদার দখলে। মোহাম্মদ সিরাজের সঙ্গে তার জুটি গুজরাটকে ফাইনালে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রেখেছে। ২১.৫৮ গড় ও ৯.৬৮ ইকোনমিতে তিনি নিয়েছেন ২৯ উইকেট। এছাড়া মানিশ পান্ডের কাছে সেরা ক্যাচ ও পাঞ্জাব কিংসের ঘরে গেছে ফেয়ারপ্লের পুরস্কার।
এদিকে এবারের আসরে একাই ৫টি পুরষ্কার জিতেছেন ১৫ বছর বয়সী বৈভব সূর্যবংশী। তাঁর দল রাজস্থান রয়্যালস ট্রফি না জিতলেও ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে এবার সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন ১৫ বছর বয়সী এই কিশোর।
পাঁচ পুরস্কারের মধ্যে অরেঞ্জ ক্যাপ জিতেছেন টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি রানের (৭৭৬) জন্য। সুপার স্ট্রাইকার অব দ্য সিজন জিতেছেন দুর্দান্ত স্ট্রাইক রেটের (১৬ ইনিংসে ২৩৭.৩০) জন্য। আর টুর্নামেন্ট-সর্বোচ্চ ৭২ ছক্কার জন্য জিতেছেন সুপার সিক্সেস অব দ্য সিজন পুরস্কার।
এই তিনটির চেয়েও বড় দুটি পুরস্কার হচ্ছে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে মূল্যবান খেলোয়াড় (এমভিপি) ও উদীয়মান সেরা খেলোয়াড় (বেস্ট ইমার্জিং প্লেয়ার)। সূর্যবংশীই প্রথম খেলোয়াড়, যিনি একই মৌসুমে এমভিপি ও উদীয়মান খেলোয়াড়—দুই পুরস্কারই জিতেছেন।
এ ছাড়া ২০১১ সালে ক্রিস গেইলের পর এই কিশোরই প্রথম খেলোয়াড়, যিনি একই মৌসুমে রান ও স্ট্রাইক রেটে শীর্ষে ছিলেন (অন্তত ২০ বল)। পুরো আসরে সূর্যবংশীর ৭২ ছক্কাও গেইলের রেকর্ড (৫৯টি) ভেঙে দিয়েছে।
