

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ডাকসুর সময়কার পুরোনো পোস্ট ও ভিডিও সামনে আসায় নিজের বদলে যাওয়া জীবন নিয়ে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করেছেন ডাকসু নেত্রী ফাতিমা তাসনিম জুমা। তিনি বলেন, আমি তো চিনিনা এই আমিরে। আমার তো ভালো লাগে না ম্যাচিউর হইতে। আমার মন চায় আমি একটা বাচ্চা হইয়া থাকি।
রোববার (২৩ আগস্ট) মধ্যরাত নিজের ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে স্মৃতিচারণ করে তিনি এসব কথা বলেন।
পোস্টে তিনি বলেন, মাঝেমাঝে ১২ টার পর মেমোরিতে ঢুকি। ইদানীং আমার ডাকসুর সময়ের পোস্টগুলো সামনে আসে। ভিডিওগুলো দেখি। মন খারাপ হয়ে যায়। বেশিরভাগ কমেন্টে আমার সাথে ওসমান ভাইয়ের খুনসুটির কমেন্টস দেখি। কত কি হয়ে গেলো এই অল্প ক'দিনে। পোস্ট গুলো পড়তে পড়তে ভাবি কত বন্ধু ছেড়ে গেলো। কেউ ভুল বুঝে, কেউ ঠিক বুঝে। কতজন হাত ছেড়ে দিলো মাঝসাগরে এনে।
আবেগঘন বার্তায় জুমা বলেন, আমার সকল ইনোসেন্স কীভাবে নষ্ট করে দিলো অযথা, শুধু ডাকসুতে আসায় আমাকে নিয়ে সীমাহীন নোংরামি করে। নিজের চেহারার দিকে তাকালে আমার মায়া হয়। স্কিন কেয়ার নিয়ে কত কনসার্ন্ড ছিলাম। এখন তো সানস্ক্রিন দিতেও ভুলে যাই। ডাকসুর বিভিন্ন কাজের টাকার টেনশনে, মানুষের ট্রায়ালে ট্রায়ালে কেন্দে টেন্ডে চোখ মুখ নষ্ট করে ফেলসি।
জুমা লেখেন, আমার কত কাছের (!) ভাই-বন্ধু আনফ্রেন্ড করে দিয়েছি। কারণ লীগের নোংরা গল্প আর নোংরা সব ছবিতে ওরা হাহা হিহি করে, সেসব দেখলে আর কাজ করতে পারিনা। মাঝে মাঝে দেখি সারাদিন যাদের পক্ষে ফাইট করি এরাও আইসা হেট্রেড ছড়ায়।ভাবি, কাকে ভালো ভেবে পক্ষ নিয়ে ফাইট করলাম!
নিজের ভেতরের ইনার চাইল্ড নারিশ করা এই আমার একদিন সব পালটে গেলো। হঠাৎ দেখি এইটা কোন আমি বলে কৌতূহল প্রকাশ করে জুমা বলেন, আমি তো চিনিনা এই আমিরে। আমার তো ভালো লাগেনা ম্যাচিউর হইতে। আমার মন চায় আমি একটা বাচ্চা হইয়া থাকি। দিন শেষে কান্দার জন্য কল দেওয়া আমার ভাই থাক।
তিনি আরও বলেন, ভাই আমারে বোঝাক, এইসব পার করতে হবে। বাংলাদেশের জন্য কিছু ছেলেমেয়ে দরকার, যারা এই সব বাধা উপেক্ষা করে বাংলাদেশের জন্য কাজ করবে। পোস্টের শেষে জুমা লেখেন, নাই। কেউ নাই। কিছু নাই!


