

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বলিউড তারকাদের ছবি ও পরিচয় ব্যবহার করে আপত্তিকর কনটেন্ট ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ নতুন নয়। এবার এমনই এক ঘটনায় আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। নিজের ব্যক্তিত্বের অধিকার ও পরিচয় সুরক্ষার দাবিতে করা মামলায় গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছেন দিল্লি হাইকোর্ট।
আদালতের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে, মামলায় উল্লেখ করা লিংকগুলোর মধ্যে ৫৫২টি ইউআরএলে অত্যন্ত আপত্তিকর ও পর্নোগ্রাফিক ধরনের কনটেন্ট পাওয়া গেছে। এসব কনটেন্ট দ্রুত সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
জানা গেছে, জাহ্নবী কাপুরের মামলায় মোট ৬ হাজার ৮৮৪টি লিংকের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে আপাতত সব লিংক সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়নি। প্রাথমিকভাবে সবচেয়ে আপত্তিকর ৫৫২টি ইউআরএল সরানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
মামলায় উল্লেখ থাকা আপত্তিকর ইউআরএল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট ও অন্যান্য ডিজিটাল কনটেন্টকে তিনটি ভাগে শ্রেণিবদ্ধ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে জাহ্নবীর আইনজীবীকে।
প্রথম শ্রেণিতে থাকবে সরাসরি পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট। দ্বিতীয় শ্রেণিতে থাকবে জাহ্নবীর ব্যক্তিত্ব ও পরিচয় ব্যবহার করে অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যে তৈরি করা আপত্তিকর কনটেন্ট। আর তৃতীয় শ্রেণিতে থাকবে জাহ্নবীর ছবি বা পরিচয় ব্যবহার করে পণ্য বিক্রি কিংবা বাণিজ্যিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা।
আদালতের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, জাহ্নবীর অনুমতি ছাড়াই এসব কনটেন্টে তার ছবি ও পরিচয় ব্যবহার করা হয়েছে। ৫৫২টি ইউআরএল সরানোর আবেদনের ক্ষেত্রে অভিনেত্রীর মামলা করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে বলেও মনে করেছে আদালত। কনটেন্টগুলো সরানো না হলে তার অপূরণীয় ক্ষতি হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে বাকি ৬ হাজার ৩৩২টি লিংক সরানোর আবেদন এখনো অনুমোদন করেনি আদালত। আপাতত চরম আপত্তিকর কনটেন্টগুলো সরানোর নির্দেশই দেওয়া হয়েছে। দিল্লি হাইকোর্টের এই নির্দেশ নিঃসন্দেহে জাহ্নবী কাপুরের জন্য স্বস্তির খবর।


