

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


জটিল অঙ্ক মেলানো কিংবা মনের কথা শেয়ার করা- আজকের নতুন প্রজন্মের কিশোর-কিশোরীদের নিত্যদিনের সঙ্গী এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। তবে এত দিন এর সাহায্যে হোমওয়ার্ক করার যে সুযোগ ছিল, তা এবার বন্ধ হতে চলেছে।
এখন থেকে চ্যাটজিপিটি আর রেডিমেড উত্তর সাজিয়ে দেবে না, বরং একজন শিক্ষকের মতো ধাপে ধাপে বুঝিয়ে দিয়ে শিক্ষার্থীদের নিজেদের উত্তর নিজেদেরই বের করতে উৎসাহ দেবে।
ফলে নিজের মাথা না খাটিয়ে চটজলদি হোমওয়ার্ক করে দেওয়ার সুযোগ আর থাকছে না।
কেবল পড়াশোনাই নয়, কিশোর মনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। আত্মহত্যা বা নিজের ক্ষতি করা, খাওয়ার বিশৃঙ্খলা (eating disorders) কিংবা প্রাপ্তবয়স্কদের উপযোগী বিষয় নিয়ে কথা বলতে গেলে এআই সরাসরি প্রতিক্রিয়া জানানো বন্ধ করে দেবে।
গবেষণায় দেখা গেছে, অনেকে একাকীত্ব কাটাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা এআইয়ের সঙ্গে কথা বলে তাকে রক্তমাংসের মানুষ ভাবতে শুরু করে।
এই ক্ষতিকর মোহ কাটাতে এটি স্পষ্ট জানিয়ে দেবে যে সে স্রেফ একটি যন্ত্র, তার নিজের কোনো অনুভুতি বা আবেগ নেই।
অভিভাবকদের নজরদারির ক্ষেত্রেও এসেছে বড় ধরনের সুযোগ। অভিভাবকেরা নিজেদের অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সন্তানের অ্যাকাউন্ট যুক্ত করে নির্দিষ্ট 'কোয়ায়েট আওয়ার্স' বা পড়ার সময় নির্ধারণ করে দিতে পারবেন, যাতে ওই সময়ে এর ব্যবহার বন্ধ থাকে।
যদিও সন্তানের ব্যক্তিগত মেসেজ পড়ার সুযোগ অভিভাবকদের থাকবে না, তবে সন্তান যদি কোনো বড় বিপদে পড়তে যায়- যেমন নিজেকে শেষ করে দেওয়ার মানসিকতা- তাহলে সাথে সাথে অ্যালার্ট পৌঁছে যাবে মা-বাবার ফোনে।
অভিভাবক ও সন্তান দুজনের সম্মতিতেই এই ফিচার চালু করা যাবে।
তবে ওপেনএআই জানিয়েছে, অভিভাবকেরা এই ফিচার চালু না করলেও চ্যাটজিপিটির বিল্ট-ইন সুরক্ষা ব্যবস্থা ১৮ বছরের কম বয়সীদের সবসময় নিরাপদ গণ্ডির ভেতরেই রাখবে।
বয়স লুকিয়ে ব্যবহার করার চেষ্টা করলেও প্রযুক্তির বুদ্ধিমান নজরদারি তা ধরে ফেলবে।


