বৃহস্পতিবার
০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বৃহস্পতিবার
০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডকুমেন্টারি নিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে কী ঘটেছিল, জানালেন রাশেদ খাঁন

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ০৫ আগস্ট ২০২৬, ০৭:২২ পিএম
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। ছবি: সংগৃহীত
expand
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনায় এবং আলোচনা সভায় বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানে সরকারি ডকুমেন্টারিতে শহীদ আবু সাঈদ ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছবি না থাকার অভিযোগে হট্টগোলের সূত্রপাত ঘটে।

বুধবার (৫ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে অনুষ্ঠানে যা ঘটেছিল তার বর্ণনা দেন রাশেদ খাঁন।

রাশেদ লেখেন, আজ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আমি উপস্থিত হওয়ার পরে দেখি এনসিপি নেতাকর্মীরা ডকুমেন্টারি নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছে।

এসময় আমি এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেনের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধানের জন্য উদ্যোগ গ্রহণের চেষ্টা করি। যেহেতু আজকের আয়োজনটা ছিল সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান।

এরপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনাসাপেক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করি। ডকুমেন্টারিতে ভুলের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আন্তরিকতার সঙ্গে দুঃখপ্রকাশ করেন এবং ডকুমেন্টারিটা সংশোধনের জন্য উদ্যোগ গ্রহণের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

তারপর আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনাসাপেক্ষে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ও এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেনকে তাদের বক্তব্য দেওয়ার মাধ্যমে সংক্ষুব্ধতা বা অভিযোগ ব্যক্ত করার সুযোগ দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করি।

তারা মঞ্চে গিয়ে তাদের বক্তব্য দেন। তাদের বক্তব্যের সময় আমরা পরিস্থিতি সামাল দিতে চেষ্টা করেছি, যাতে তাদের বক্তব্যের সময় কোনো ব্যক্তি বা জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধারা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে তাদের বিব্রত না করে (যা কয়েকদিন আগে এনসিপির দলীয় কর্মসূচিতেই হয়েছে!)।

হ্যাঁ, সেটিই হয়েছে, বক্তব্যের সময় তাদের বিব্রত হতে হয়নি। তবে জামায়াত ও এনসিপির কিছু নেতাকর্মী আমার বক্তব্যের সময় প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। আমি তাদের এই প্রতিক্রিয়াকে স্বাগত জানিয়েছি। আমি মনে করি, গণতন্ত্রের সৌন্দর্যই সমালোচনা, আলোচনা।

কিন্তু সর্বজনীন কিংবা রাষ্ট্রীয় প্রোগ্রামে কতটুকু হট্টগোল করা যাবে, আর কতটুকু নিজেকে কন্ট্রোল করতে হবে, সেটাও স্বাভাবিক সেন্সের ব্যাপার। আমি এতটুকুইতেই সন্তুষ্ট যে, তাদের অন্তত আমরা অসম্মানিত হতে দিইনি এবং তাদের অনুভূতি তারা ব্যক্ত করার যথাযথ সুযোগ পেয়েছে।

তবে আজ ডকুমেন্টারি সংক্রান্ত ভুল হোক বা না হোক, আজ একটা পরিকল্পনা নিয়েই বিরোধীদল উপস্থিত হয়েছিল। তবে সরকারের এ ঘটনা থেকে সাবধানতা অবলম্বনের বার্তা পেলো যে, বেশি আন্তরিকতা (একধরনের দুর্বলতা) কতটা ক্ষতি বয়ে আনতে পারে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন