

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৬তম বৈঠকে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) অনুষ্ঠিত বৈঠকে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। একইসঙ্গে ভিসা পলিসি-২০২৬ এবং ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর খসড়াও অনুমোদন পেয়েছে।
আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উদ্যোগে প্রণীত ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়াটি লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ব্যাংক খাতের ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রণীত মূল আইনের সংযোজিত ১৮ক ধারার অধীনে নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে কোনো আবেদন না পাওয়ায় ধারাটি বিলুপ্ত করার লক্ষ্যে এ সংশোধন আনা হয়েছে।
এদিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বিদেশি বিনিয়োগ, পর্যটন, দক্ষতা বৃদ্ধি ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন নিশ্চিত করতে ভিসা পলিসি-২০২৬-এর খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ২০০৬ সালের ভিসা নীতিমালার ৩৩টি ক্যাটাগরির পরিবর্তে নতুন নীতিমালায় ৩৪টি ভিসা ক্যাটাগরি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আধুনিক, সেবামুখী ও সময়োপযোগী ভিসা কাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া আন্তর্জাতিক সনদ ও প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মানবাধিকার সুরক্ষা এবং একটি স্বাধীন কমিশনের কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করতে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
নতুন আইনে কমিশন গঠন ও বাছাই কমিটিতে নারী, বিশিষ্ট নাগরিক, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং নৃগোষ্ঠী ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্তির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি তদন্ত চলাকালে ভুক্তভোগীর সুরক্ষায় অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা এবং হেফাজতে নির্যাতন ও গুম রোধে জাতিসংঘের নির্যাতনবিরোধী সনদের ঐচ্ছিক প্রটোকল (ওপিক্যাট) অনুযায়ী একটি জাতীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা (এনপিএম) ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে।