

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ঐতিহাসিক ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে ২০২৪ সালের ১৬ জুলাইয়ের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, শোক ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে দেশে সর্বক্ষেত্রে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি।
বুধবার (১৫ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে সরকারের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন।
স্ট্যাটাসে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন। সেদিন ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে রংপুরে পুলিশের গুলিতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ এবং চট্টগ্রামে কলেজশিক্ষার্থী মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামসহ অন্তত ছয়জন শহীদ হন। আবু সাঈদের বুক চিতিয়ে পুলিশের সামনে দাঁড়িয়ে থাকার দৃশ্য গণতন্ত্রকামী মানুষের মনে গভীর আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।
তিনি বলেন, কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া আন্দোলন পরবর্তী সময়ে সরকারবিরোধী গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। সেই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আমি মহান আল্লাহর দরবারে শহীদ আবু সাঈদ, শহীদ মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামসহ ১৬ জুলাইয়ের সব শহীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি।’
তিনি আরও বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান ছিল দীর্ঘদিনের দমন-পীড়ন, দুর্নীতি, লুণ্ঠন, গুম, খুন এবং ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে জাতির সম্মিলিত প্রতিরোধ। শহীদদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই দেশের মানুষ গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার নতুন সুযোগ পেয়েছে।
স্ট্যাটাসে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, শহীদদের রক্ত কখনো বৃথা যেতে পারে না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অমর চেতনা শুধু আমাদের ইতিহাসের গৌরব নয়, ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নির্মাণেরও প্রেরণা।’
তিনি বলেন, নিরাপদ, মানবিক, স্বনির্ভর ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার মধ্য দিয়েই শহীদদের আত্মত্যাগের যথাযথ মর্যাদা রক্ষা করা সম্ভব।
স্ট্যাটাসের শেষে প্রধানমন্ত্রী সব শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং গণঅভ্যুত্থানে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।