

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী এবং ছেলে-মেয়েকে হত্যার ঘটনায় আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।
জানা গেছে, গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী এবং মেয়েকে ছাদে হত্যার পর নিচে রুমে নেমে আসেন সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দাস। তখন ভোরের আলো ফুটেছে।
এ সময় ঘুম থেকে জেগে বিছানায় বসে ছিল ছোট ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়ম। সিদ্ধার্থকে চিনে ফেলায় তাকেও হত্যা করা হয়। এরপর বাসায় সিসি ক্যামেরা রয়েছে সন্দেহে সেখানে থাকা একটি পুরোনো প্লাস নিয়ে নিচতলায় গিয়ে বৈদ্যুতিক মিটারের তার কেটে ফেলেন সিদ্ধার্থ। তখন শর্ট সার্কিট হয়।
পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের পর তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে এভাবেই ঘটনার বর্ণনা দেন সিদ্ধার্থ। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার সময় মুগ্ধ ওপর তলায় অবস্থান করছিলেন বলে জানিয়েছেন সিদ্ধার্থ।
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী গণমাধ্যমকে বলেন, হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার পর তারা (অভিযুক্তরা) বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। এ সময় শর্ট সার্কিট হয়ে মেইন লাইন বিচ্ছিন্ন হয়।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয়দের সহায়তায় সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দাসকে আটক করা হয়েছে। বাইরে অনেকে অনেকভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছেন। পুলিশের কাছে ছোট ছোট কিছু বিষয় হাইড করলেও আদালতে পুরো ঘটনার বর্ণনা দিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন তারা। বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নেই। পুলিশ রাইট ওয়েতে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আশা করছি, দ্রুততম সময়ের মধ্যে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেওয়া যাবে।


