

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে ‘হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের’ মামলায় গ্রেপ্তার না হলেও আত্মসমর্পণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সাবেক সদস্য আবদুল লতিফ সিদ্দিকী।
শাহবাগ থানার সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় বুধবার (২৯ জুলাই) হাজিরা দিয়ে শাপলা চত্বরের মামলায় আত্মসমর্পণ করবেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন লতিফ সিদ্দিকী।
এদিন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অপর এক মামলায় হাজিরা দিতে এসে এ কথা জানান তিনি।
মামলার দশ নম্বর আসামি লতিফ সিদ্দিকী। তিনি বলেন, ‘আমি জানি, আজকে যদি আমি না আসি (আদালত) তাহলে মনে করা হবে আমি বোধহয় আত্মগোপনে চলে গেছি। আমি সাধারণত আত্মগোপন করি না। আমি সবসময় আত্মপ্রকাশ করতে চাই। সেজন্য আজকে এসেছি। এখন পুলিশ যদি আমাকে গ্রেপ্তার না করে তাহলে আগামী রোববার বা সোমবার আদালতে গিয়ে নিজেকে সমর্পণ করবো।’
বুধবার শাহবাগ থানার ওই মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন জমার দিন ধার্য ছিল। লতিফ সিদ্দিকীসহ অন্যান্য আসামিরা আদালতে হাজির দেন। তবে শাহবাগ পুলিশ প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত তাই আগামী ৭ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদন জমার পরবর্তী দিন রেখেছেন বলে জানিয়েছেন লতিফ সিদ্দিকীর আইনজীবী গোলাম রাব্বানী।
হাজিরা শেষে আদালত থেকে বের হয়ে লতিফ সিদ্দিকী সাংবাদিকদের বলেন, ‘শাহবাগ থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় অভিযুক্ত এজন্য আজ আদালতে এসেছি। যে মামলায় আমি ২০২৫ সালে গ্রেপ্তার হয়েছিলাম। আজকে কিন্তু আমি একটা প্রয়োজনে এসেছি। আপনারা (সাংবাদিকেরা) জানেন কী না জানি না, আমাকে আজকে সকাল বেলা জানানো হলো, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একটা মামলা হয়েছে। শাপলা চত্বরে হেফাজত ইসলামের সমাবেশের ওই মামলা। সেই মামলায় আমার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে, আমাকে যেতে হবে না। আর মধ্যে যদি পুলিশ ধরে নিয়ে যায় তাহলে তো ভিন্ন কথা। আমি কিন্তু এবার আর ২৮ তারিখের মত অপ্রস্তুত নই। তৈরি হয়ে আছি। আমার গাড়িতে ব্যাগ আছে, লেখালেখির জন্য খাতা-কলম আছে।’