

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ইউটিউব থেকে আয় করার নিয়ম বেশ কঠিন হতে যাচ্ছে। আগামী বছরের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে চালু হতে যাওয়া নতুন নীতিমালায় বিজ্ঞাপন এবং ইউটিউব প্রিমিয়াম থেকে আয় পেতে নির্মাতাদের আগের চেয়ে দ্বিগুণ দর্শক বা ওয়াচ টাইম লাগবে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বিজ্ঞাপন থেকে আয় করতে হলে গত এক বছরে ৮ হাজার ঘণ্টা ওয়াচটাইম অথবা ৯০ দিনে ২ কোটি শর্টস ভিউ থাকতে হবে, যা আগে ছিল ৪ হাজার ঘণ্টা ও ১ কোটি ভিউ।
তবে ১ হাজার সাবস্ক্রাইবারের শর্তটি আগের মতোই থাকছে। মনিটাইজেশন থাকা পুরনো নির্মাতাদেরও শর্টসের আয় সচল রাখতে ৯০ দিনে অন্তত ১ কোটি ভিউ বজায় রাখতে হবে, ভিউ নিচে নামলে শর্টসের আয় সাময়িক বন্ধ হলেও চ্যানেল মনিটাইজড থাকবে এবং ভিউ পুনরায় পূরণ হলে আয় স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হবে।
২০১৮ সালের পর এবারই প্রথম এত বড় পরিবর্তন আনছে ইউটিউব। এতে বিশেষ করে শর্টসনির্ভর ছোট নির্মাতাদের ওপর নিয়মিত ভিউ ধরে রাখার চাপ অনেক বাড়বে।
তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে ইউটিউব শপিং, ব্র্যান্ড ডিল এবং নতুন ধারার জনপ্রিয় ভিডিওর জন্য বাড়তি অর্থ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে প্ল্যাটফর্মটি।
অন্যদিকে, ৫০০ সাবস্ক্রাইবার, ৩ হাজার ঘণ্টা ওয়াচটাইম বা ৩০ লাখ শর্টস ভিউ দিয়ে যে প্রাথমিক স্তরের মনিটাইজেশন চালু ছিল, সেটির শর্তে কোনো পরিবর্তন আসছে না। তবে এই স্তরে ফ্যান ফান্ডিং মিললেও বিজ্ঞাপনের আয় পাওয়া যাবে না।
নির্মাতাদের আয়ের নতুন পথ হিসেবে ‘ইউটিউব প্রিমিয়াম লাইট’ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পূর্ণাঙ্গ ইউটিউব প্রিমিয়ামের সাবস্ক্রিপশন আয়ের ৩০ শতাংশ নির্মাতাদের দেওয়া হলেও, প্রিমিয়াম লাইটের নিট আয়ের ৬০ শতাংশ একটি বিশেষ তহবিলে বরাদ্দ রাখা হবে।
দর্শকেরা কার ভিডিও কত সময় দেখছেন, তার ভিত্তিতেই এই অর্থ ভাগ করা হবে। সব মিলিয়ে, আগামী দিনগুলো নতুন কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং এবং গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।

